চরচা প্রতিবেদক

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ রাখছে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিতই হয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারির টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ খেলতে ভারতে যেতেই হবে বাংলাদেশকে। এখন বাংলাদেশ কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেটারও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। ইএসপিএন ক্রিক-ইনফোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ২১ জানুয়ারির মধ্যে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছে আইসিসি।
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির কাছে বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার অনুরোধ জানায়। এ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। আইসিসির একটি প্রতিনিধি দলও শুক্রবার ঢাকায় আসে। সেখানে বাংলাদেশ গ্রুপ অদল–বদল করার একটা প্রস্তাব দেয়। আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে এই অদল–বদল প্রস্তাবটার উদ্দেশ্য ছিল, যেন ন্যূনতম লজিস্টিকাল চ্যালেঞ্জ সমাধান করেই বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা যায়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশের এই অদল–বদল প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ইএসপিএন–ক্রিকইনফো জানিয়েছে, এমন প্রস্তাবে রাজি হয়নি আইসিসিও।
ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ কলকাতায়। এরপরের দুই ম্যাচেরও ভেন্যু কলকাতা। বাংলাদেশের গ্রুপের সবশেষ ম্যাচটি খেলার কথা মুম্বাইয়ে।
শনিবারের বৈঠকে আইসিসির প্রতিনিধি দল গ্রুপ অদল–বদলের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। উল্টো বাংলাদেশকে তারা জানিয়ে দিয়েছে, ভারতে নিরাপত্তাজনিত কোনো সমস্যা নেই। বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে।
আইসিসির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ দল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ২০টি দেশের কাছে যে নিরাপত্তা রিপোর্ট পাঠিয়েছে, তাতে ভারতের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকির বলা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে, কোনো অংশগ্রহণকারী দলে বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই।
বাংলাদেশকে আইসিসির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল যে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন পাঠিয়েছে, তাতে কিছু ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে একই সঙ্গে বাংলাদেশের সমর্থকেরা যেন ভারতে জাতীয় দলের জার্সি পরে ঘোরাফেরা না করেন, সেটা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন যতই এগিয়ে আসবে, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ঝুঁকি তৈরি হবে বলেও বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড মনে করে, যেখানে সমর্থকেরা জার্সি পরে বাইরে ঘোরাঘুরি করতে গেলে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বেন, সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শঙ্কার যথেষ্ট কারণ আছে।
২১ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ যদি নিজেদের সিদ্ধান্ত না জানায়, তাহলে আইসিসি বাংলাদেশের বদলে অন্য একটি দেশকে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেবে।

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ রাখছে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিতই হয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারির টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ খেলতে ভারতে যেতেই হবে বাংলাদেশকে। এখন বাংলাদেশ কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেটারও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। ইএসপিএন ক্রিক-ইনফোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ২১ জানুয়ারির মধ্যে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছে আইসিসি।
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির কাছে বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার অনুরোধ জানায়। এ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। আইসিসির একটি প্রতিনিধি দলও শুক্রবার ঢাকায় আসে। সেখানে বাংলাদেশ গ্রুপ অদল–বদল করার একটা প্রস্তাব দেয়। আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে এই অদল–বদল প্রস্তাবটার উদ্দেশ্য ছিল, যেন ন্যূনতম লজিস্টিকাল চ্যালেঞ্জ সমাধান করেই বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা যায়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশের এই অদল–বদল প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ইএসপিএন–ক্রিকইনফো জানিয়েছে, এমন প্রস্তাবে রাজি হয়নি আইসিসিও।
ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ কলকাতায়। এরপরের দুই ম্যাচেরও ভেন্যু কলকাতা। বাংলাদেশের গ্রুপের সবশেষ ম্যাচটি খেলার কথা মুম্বাইয়ে।
শনিবারের বৈঠকে আইসিসির প্রতিনিধি দল গ্রুপ অদল–বদলের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। উল্টো বাংলাদেশকে তারা জানিয়ে দিয়েছে, ভারতে নিরাপত্তাজনিত কোনো সমস্যা নেই। বিশ্বকাপ খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে।
আইসিসির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ দল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ২০টি দেশের কাছে যে নিরাপত্তা রিপোর্ট পাঠিয়েছে, তাতে ভারতের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকির বলা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে, কোনো অংশগ্রহণকারী দলে বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই।
বাংলাদেশকে আইসিসির নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল যে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন পাঠিয়েছে, তাতে কিছু ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে একই সঙ্গে বাংলাদেশের সমর্থকেরা যেন ভারতে জাতীয় দলের জার্সি পরে ঘোরাফেরা না করেন, সেটা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন যতই এগিয়ে আসবে, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ঝুঁকি তৈরি হবে বলেও বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড মনে করে, যেখানে সমর্থকেরা জার্সি পরে বাইরে ঘোরাঘুরি করতে গেলে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বেন, সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শঙ্কার যথেষ্ট কারণ আছে।
২১ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ যদি নিজেদের সিদ্ধান্ত না জানায়, তাহলে আইসিসি বাংলাদেশের বদলে অন্য একটি দেশকে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেবে।