চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট ও বাস্তুচ্যুতির কারণে এবারের ঈদুল ফিতরের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। ইরান, গাজা ও লেবাননের মতো সংঘাতকবলিত অঞ্চলে মানুষ ঈদের চেয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী তাঁবুতে বাস করছে। সিরীয় শরণার্থী আলা জানান, দিনের পর দিন ঘুরে বেড়াচ্ছেন শুধু একটি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। একসময় যেখানে বিলাসবহুল রেস্টুরেন্ট ও বিনোদনের স্থান ছিল, সেই এলাকাগুলো এখন বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। ফলে ঈদ উদযাপনের চিন্তা অনেকের তাদের কাছে বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
লেবাননে ইতোমধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের আগে দেশটি আগের যুদ্ধের ক্ষত কাটিয়ে উঠতেই পারেনি।
অন্যদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, ফলে অনেকেই ঈদের কেনাকাটা এড়িয়ে যাচ্ছেন। রাজধানী তেহরানের বাজারও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে কেনাকাটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গাজায় পরিস্থিতি বেশি ভয়াবহ। দীর্ঘদিনের যুদ্ধ ও অবরোধে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। বাজারে কিছুটা ঈদের আমেজ থাকলেও অধিকাংশ মানুষের পক্ষে প্রয়োজনীয় খাবার বা পোশাক কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ৬২ বছর বয়সী খালেদ দীব জানান, আগে ঈদে পরিবারকে উপহার দিতেন, এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার কেনার সামর্থ্যও নেই।
গাজার অনেক পরিবার এখন ভাঙাচোরা ঘর বা তাঁবুতে বসবাস করছে। শিরিন শ্রীম নামে এক নারী বলেন, “আমাদের ঈদের আনন্দ অসম্পূর্ণ। দুই বছরের যুদ্ধ আমাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে।”
কঠিন বাস্তবতার মাঝেও কেউ কেউ পরিবার ও সামাজিক বন্ধন ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। বৈরুতের গবেষক করিম সাফিয়েদ্দিন বলেন, “এই সময়ে পরিবার ও একতার বন্ধনই টিকে থাকার শক্তি দেয়।”
সব মিলিয়ে এবারের ঈদ মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের কাছে অনিশ্চয়তা ও টিকে থাকার লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট ও বাস্তুচ্যুতির কারণে এবারের ঈদুল ফিতরের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। ইরান, গাজা ও লেবাননের মতো সংঘাতকবলিত অঞ্চলে মানুষ ঈদের চেয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী তাঁবুতে বাস করছে। সিরীয় শরণার্থী আলা জানান, দিনের পর দিন ঘুরে বেড়াচ্ছেন শুধু একটি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। একসময় যেখানে বিলাসবহুল রেস্টুরেন্ট ও বিনোদনের স্থান ছিল, সেই এলাকাগুলো এখন বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। ফলে ঈদ উদযাপনের চিন্তা অনেকের তাদের কাছে বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
লেবাননে ইতোমধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের আগে দেশটি আগের যুদ্ধের ক্ষত কাটিয়ে উঠতেই পারেনি।
অন্যদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, ফলে অনেকেই ঈদের কেনাকাটা এড়িয়ে যাচ্ছেন। রাজধানী তেহরানের বাজারও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে কেনাকাটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গাজায় পরিস্থিতি বেশি ভয়াবহ। দীর্ঘদিনের যুদ্ধ ও অবরোধে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত। বাজারে কিছুটা ঈদের আমেজ থাকলেও অধিকাংশ মানুষের পক্ষে প্রয়োজনীয় খাবার বা পোশাক কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ৬২ বছর বয়সী খালেদ দীব জানান, আগে ঈদে পরিবারকে উপহার দিতেন, এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার কেনার সামর্থ্যও নেই।
গাজার অনেক পরিবার এখন ভাঙাচোরা ঘর বা তাঁবুতে বসবাস করছে। শিরিন শ্রীম নামে এক নারী বলেন, “আমাদের ঈদের আনন্দ অসম্পূর্ণ। দুই বছরের যুদ্ধ আমাদের সবকিছু কেড়ে নিয়েছে।”
কঠিন বাস্তবতার মাঝেও কেউ কেউ পরিবার ও সামাজিক বন্ধন ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। বৈরুতের গবেষক করিম সাফিয়েদ্দিন বলেন, “এই সময়ে পরিবার ও একতার বন্ধনই টিকে থাকার শক্তি দেয়।”
সব মিলিয়ে এবারের ঈদ মধ্যপ্রাচ্যের মানুষের কাছে অনিশ্চয়তা ও টিকে থাকার লড়াইয়ের প্রতিচ্ছবি।