চরচা প্রতিবেদক

ঈদের ছুটিতে রাজধানী ফাঁকা হলেও জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বিভিন্ন পাম্পে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। রেশনিং তুলে নেওয়ার পরও সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় চালকদের ভোগান্তি কমেনি।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে সরজমিনে দেখা যায়, সেনা পরিচালিত ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনের সামনে দীর্ঘ লাইন। ব্যক্তিগত গাড়ির সারি জাহাঙ্গীর গেট ছাড়িয়ে গেছে, আর মোটরসাইকেলের লাইন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অতিক্রম করেছে।
অনেক চালককে তেল নিতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
মহাখালী, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েকটি পাম্প বন্ধ থাকায় চাপ গিয়ে পড়েছে চালু পাম্পগুলোতে। ইউরেকা এন্টারপ্রাইজে তেল না থাকলেও গ্যাস সরবরাহ চালু রয়েছে। ফলে বিকল্প না পেয়ে চালকদের ভিড় বাড়ছে নির্দিষ্ট কিছু পাম্পে।
ট্রাস্ট পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আব্দুল হালিম বলেন, “দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, এখনো পাম্প পর্যন্ত পৌঁছাতে পারিনি।”
আরেক চালক ফাহিমুর রহমান বলেন, “গতকাল বড় লাইন দেখে তেল না নিয়ে চলে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ঈদের পরদিন ফাঁকা থাকবে। কিন্তু আজ এসে দেখি লাইন আরও কয়েকগুণ বড়।”
একজন ফিলিং স্টেশন কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “তেলের সরবরাহ একেবারে বন্ধ নয়। কিন্তু অনেক পাম্প বন্ধ থাকায় চাপ কমছে না। ফলে এক জায়গায় ভিড় বাড়ছে।”

ঈদের ছুটিতে রাজধানী ফাঁকা হলেও জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বিভিন্ন পাম্পে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন। রেশনিং তুলে নেওয়ার পরও সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় চালকদের ভোগান্তি কমেনি।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে সরজমিনে দেখা যায়, সেনা পরিচালিত ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনের সামনে দীর্ঘ লাইন। ব্যক্তিগত গাড়ির সারি জাহাঙ্গীর গেট ছাড়িয়ে গেছে, আর মোটরসাইকেলের লাইন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অতিক্রম করেছে।
অনেক চালককে তেল নিতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
মহাখালী, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েকটি পাম্প বন্ধ থাকায় চাপ গিয়ে পড়েছে চালু পাম্পগুলোতে। ইউরেকা এন্টারপ্রাইজে তেল না থাকলেও গ্যাস সরবরাহ চালু রয়েছে। ফলে বিকল্প না পেয়ে চালকদের ভিড় বাড়ছে নির্দিষ্ট কিছু পাম্পে।
ট্রাস্ট পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আব্দুল হালিম বলেন, “দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, এখনো পাম্প পর্যন্ত পৌঁছাতে পারিনি।”
আরেক চালক ফাহিমুর রহমান বলেন, “গতকাল বড় লাইন দেখে তেল না নিয়ে চলে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ঈদের পরদিন ফাঁকা থাকবে। কিন্তু আজ এসে দেখি লাইন আরও কয়েকগুণ বড়।”
একজন ফিলিং স্টেশন কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “তেলের সরবরাহ একেবারে বন্ধ নয়। কিন্তু অনেক পাম্প বন্ধ থাকায় চাপ কমছে না। ফলে এক জায়গায় ভিড় বাড়ছে।”