চরচা ডেস্ক

তিন দশক পেরিয়ে আজও বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে জীবন্ত রেখেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ বেসরকারি উদ্যোগে যাত্রা শুরু করা এই জাদুঘর আজ দেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা হিসেবে গড়ে উঠেছে।
প্রথমে ঢাকার সেগুনবাগিচার একটি ভাড়া বাসায় শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে এর পরিধি ও গুরুত্ব বেড়েছে। অবশেষে ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে নির্মিত আধুনিক ভবনে স্থানান্তরিত হয় জাদুঘরটি। প্রায় আড়াই বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা এই ভবনে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি ও নিদর্শনের বিশাল ভান্ডার।
প্রায় ২১ হাজার বর্গফুট আয়তনের চারটি গ্যালারিতে সাজানো হয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, যেখানে স্থান পেয়েছে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত সামগ্রী, অস্ত্র, আলোকচিত্র, দলিল ও চিঠিপত্র।
‘আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংগ্রাম’ গ্যালারিতে তুলে ধরা হয়েছে প্রাচীন বাংলা থেকে পাকিস্তান আমল এবং ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপট। অন্যদিকে ‘আমাদের যুদ্ধ, আমাদের মিত্র’ গ্যালারিতে রয়েছে শরণার্থীদের জীবন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
নয়তলা বিশিষ্ট এই জাদুঘরে রয়েছে আর্কাইভ, গবেষণাগার, মিলনায়তন ও প্রদর্শনী কক্ষ, যা একে শুধু জাদুঘর নয়, শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তিন দশকের পথচলায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণ করেনি, নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ইতিহাসকে জীবন্ত করে তুলেছে।

তিন দশক পেরিয়ে আজও বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে জীবন্ত রেখেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ বেসরকারি উদ্যোগে যাত্রা শুরু করা এই জাদুঘর আজ দেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহশালা হিসেবে গড়ে উঠেছে।
প্রথমে ঢাকার সেগুনবাগিচার একটি ভাড়া বাসায় শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে এর পরিধি ও গুরুত্ব বেড়েছে। অবশেষে ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে নির্মিত আধুনিক ভবনে স্থানান্তরিত হয় জাদুঘরটি। প্রায় আড়াই বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা এই ভবনে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি ও নিদর্শনের বিশাল ভান্ডার।
প্রায় ২১ হাজার বর্গফুট আয়তনের চারটি গ্যালারিতে সাজানো হয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, যেখানে স্থান পেয়েছে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত সামগ্রী, অস্ত্র, আলোকচিত্র, দলিল ও চিঠিপত্র।
‘আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংগ্রাম’ গ্যালারিতে তুলে ধরা হয়েছে প্রাচীন বাংলা থেকে পাকিস্তান আমল এবং ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রেক্ষাপট। অন্যদিকে ‘আমাদের যুদ্ধ, আমাদের মিত্র’ গ্যালারিতে রয়েছে শরণার্থীদের জীবন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
নয়তলা বিশিষ্ট এই জাদুঘরে রয়েছে আর্কাইভ, গবেষণাগার, মিলনায়তন ও প্রদর্শনী কক্ষ, যা একে শুধু জাদুঘর নয়, শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তিন দশকের পথচলায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণ করেনি, নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ইতিহাসকে জীবন্ত করে তুলেছে।

প্রথমে ঢাকার সেগুনবাগিচার একটি ভাড়া বাসায় শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে এর পরিধি ও গুরুত্ব বেড়েছে। অবশেষে ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আগারগাঁওয়ে নির্মিত আধুনিক ভবনে স্থানান্তরিত হয় জাদুঘরটি। প্রায় আড়াই বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা এই ভবনে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতি ও নিদর্শনের বিশাল ভান্ডার।

কুমিল্লায় রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে সম্প্রতি বগুড়া ও কুমিল্লার ট্রেন দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ দ্রুত খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।