চরচা ডেস্ক

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, ইরানে চলমান আমেরিকান ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ নেবে না যুক্তরাজ্য। তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, স্টারমারের সাহায্য করা উচিত ছিল। তিনি কখনো ভাবেননি যুক্তরাজ্য এমন করবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
ট্রাম্প বলেন, “তিনি (স্টারমার) সহযোগিতা করেননি। আমি কখনো ভাবিনি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এমনটা দেখব।” তিনি আরও বলেন, “এতে খুব একটা পার্থক্য হবে না, কিন্তু স্টারমারের সাহায্য করা উচিত ছিল।”
ট্রাম্পের ভাষ্য, “এটা এখন ভিন্ন এক বিশ্ব। অতীতে আপনার দেশের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক ছিল, এখন তা অনেকটাই আলাদা।” একসময় সবচেয়ে শক্তিশালী জোট হিসেবে বিবেচিত সম্পর্কটিও এখন চাপে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও ইঙ্গিত দেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন আর ব্রিটেনের ওপর নির্ভরশীল নয়। তাছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সম্পর্ক এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গতকাল সোমবার কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।”
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, যদিও তিনি মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন, তবে তা কেবল ‘পূর্বনির্ধারিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যেই’ ব্যবহার করা যাবে। কোনো অবস্থায়ই ব্রিটিশ বাহিনী ইরানের ওপর সরাসরি আক্রমণ চালাবে না।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, ইরানে চলমান আমেরিকান ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ নেবে না যুক্তরাজ্য। তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, স্টারমারের সাহায্য করা উচিত ছিল। তিনি কখনো ভাবেননি যুক্তরাজ্য এমন করবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
ট্রাম্প বলেন, “তিনি (স্টারমার) সহযোগিতা করেননি। আমি কখনো ভাবিনি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এমনটা দেখব।” তিনি আরও বলেন, “এতে খুব একটা পার্থক্য হবে না, কিন্তু স্টারমারের সাহায্য করা উচিত ছিল।”
ট্রাম্পের ভাষ্য, “এটা এখন ভিন্ন এক বিশ্ব। অতীতে আপনার দেশের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক ছিল, এখন তা অনেকটাই আলাদা।” একসময় সবচেয়ে শক্তিশালী জোট হিসেবে বিবেচিত সম্পর্কটিও এখন চাপে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও ইঙ্গিত দেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন আর ব্রিটেনের ওপর নির্ভরশীল নয়। তাছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সম্পর্ক এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
গতকাল সোমবার কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।”
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, যদিও তিনি মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন, তবে তা কেবল ‘পূর্বনির্ধারিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যেই’ ব্যবহার করা যাবে। কোনো অবস্থায়ই ব্রিটিশ বাহিনী ইরানের ওপর সরাসরি আক্রমণ চালাবে না।