চরচা ডেস্ক

দেশের শ্রমিকদের বড় একটি অংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক খাতে রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার ঢাকার সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) এবং আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (আরএমজি টিটিসি) সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের শ্রমিকদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় এলেও দেশের সামগ্রিক শ্রমশক্তির বড় অংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক সেক্টরে কাজ করছে। দেশকে টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে সব খাতকে ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক আওতায় আনতে হবে বলেও জানান তিনি।
নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর আর্থিক স্বস্তি ফেরাতে সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকার সহায়তা দেওয়া হবে। এতে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক স্থিতিশীলতা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পুরোপুরি রেশন না হলেও এর মাধ্যমে রেশনের উদ্দেশ্য অনেকটাই পূরণ হবে। একই সঙ্গে শ্রমখাতে উদ্ভূত নানা সমস্যার টেকসই সমাধানে নিয়মিত টিটিসি মিটিং আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রম সচিবের উদ্দেশেতিনি বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে টিটিসি গঠন করা হয়েছে তা অর্জনে নিয়মিত সভা নিশ্চিত করতে হবে।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শ্রমখাতে সংস্কার আনতে হলে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে থাকা বিশাল শ্রমশক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিকতার আওতায় আনাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, শ্রমখাত ফরমালাইজড না হলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না এবং শ্রমিকদের প্রাপ্য সুবিধাও পুরোপুরি দেওয়া যাবে না।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী ম. নূরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের শ্রমিকদের বড় একটি অংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক খাতে রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার ঢাকার সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) এবং আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (আরএমজি টিটিসি) সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের শ্রমিকদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় এলেও দেশের সামগ্রিক শ্রমশক্তির বড় অংশ এখনো অনানুষ্ঠানিক সেক্টরে কাজ করছে। দেশকে টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে সব খাতকে ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক আওতায় আনতে হবে বলেও জানান তিনি।
নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর আর্থিক স্বস্তি ফেরাতে সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকার সহায়তা দেওয়া হবে। এতে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক স্থিতিশীলতা কিছুটা হলেও নিশ্চিত হবে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পুরোপুরি রেশন না হলেও এর মাধ্যমে রেশনের উদ্দেশ্য অনেকটাই পূরণ হবে। একই সঙ্গে শ্রমখাতে উদ্ভূত নানা সমস্যার টেকসই সমাধানে নিয়মিত টিটিসি মিটিং আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।
শ্রম সচিবের উদ্দেশেতিনি বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে টিটিসি গঠন করা হয়েছে তা অর্জনে নিয়মিত সভা নিশ্চিত করতে হবে।
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শ্রমখাতে সংস্কার আনতে হলে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে থাকা বিশাল শ্রমশক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিকতার আওতায় আনাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, শ্রমখাত ফরমালাইজড না হলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না এবং শ্রমিকদের প্রাপ্য সুবিধাও পুরোপুরি দেওয়া যাবে না।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী ম. নূরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।