চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনার জন্য স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাকিস্তানের ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জেডি ভ্যান্স।
এর আগে নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য জেডি ভ্যান্স, স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন।
আলোচনার বিষয়ে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ গালিবাফ বলেছেন, ‘হুমকির’ মুখে তেহরান কোনো আলোচনা করবে না এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে নতুন সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ লেখেন, “কল্পনায় অবরোধ আরোপ করে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আলোচনার টেবিলকে আত্মসমর্পণের টেবিলে পরিণত করতে চাইছেন ট্রাম্প, অথবা নতুন করে যুদ্ধ উসকে দেওয়ার অজুহাত তৈরি করছেন।”
এদিকে, ট্রাম্পকে জনসমক্ষে বাগাড়ম্বর বা কঠোর ভাষা ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সম্ভাব্য আলোচনা সফল করতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ট্রাম্পকে সংযত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। আমরা আশা করছি, আগামীকাল বা পরদিনের মধ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল আলোচনায় অংশ নেবে।”
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন সময় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে। তবে এর মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলেও এর মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা ‘একেবারেই ক্ষীণ’।

ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনার জন্য স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাকিস্তানের ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জেডি ভ্যান্স।
এর আগে নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য জেডি ভ্যান্স, স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন।
আলোচনার বিষয়ে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ গালিবাফ বলেছেন, ‘হুমকির’ মুখে তেহরান কোনো আলোচনা করবে না এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে নতুন সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ লেখেন, “কল্পনায় অবরোধ আরোপ করে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আলোচনার টেবিলকে আত্মসমর্পণের টেবিলে পরিণত করতে চাইছেন ট্রাম্প, অথবা নতুন করে যুদ্ধ উসকে দেওয়ার অজুহাত তৈরি করছেন।”
এদিকে, ট্রাম্পকে জনসমক্ষে বাগাড়ম্বর বা কঠোর ভাষা ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সম্ভাব্য আলোচনা সফল করতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ট্রাম্পকে সংযত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। আমরা আশা করছি, আগামীকাল বা পরদিনের মধ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল আলোচনায় অংশ নেবে।”
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন সময় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে। তবে এর মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলেও এর মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা ‘একেবারেই ক্ষীণ’।