চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর চকবাজারে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেছে পরিবার। নিহত শিক্ষার্থীর নাম ফারহান রহমান জিহাদ (১৭)। ইসলামপুর মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় চকবাজারের পোস্তা কাজী রিয়াজুদ্দিন রোডের একটি চারতলা ভবনের চতুর্থ তলার বাসা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ফজলুর রহমানের ছেলে জিহাদ পরিবারের সঙ্গে ওই বাসাতেই থাকত।
নিহতের বড় ভাই ফাইম রহমান জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জিহাদ বাসার একটি কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফাইম রহমান বলেন, “আমার ছোটভাই কেন এমনটি করল, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি চকবাজার থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর চকবাজারে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেছে পরিবার। নিহত শিক্ষার্থীর নাম ফারহান রহমান জিহাদ (১৭)। ইসলামপুর মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল সে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় চকবাজারের পোস্তা কাজী রিয়াজুদ্দিন রোডের একটি চারতলা ভবনের চতুর্থ তলার বাসা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ফজলুর রহমানের ছেলে জিহাদ পরিবারের সঙ্গে ওই বাসাতেই থাকত।
নিহতের বড় ভাই ফাইম রহমান জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জিহাদ বাসার একটি কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফাইম রহমান বলেন, “আমার ছোটভাই কেন এমনটি করল, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি চকবাজার থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।