প্রথমার্ধ শেষে/ আর্জেন্টিনা ১-০ অস্ট্রিয়া
চরচা ডেস্ক

এক গোল পেলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যাওয়ার হাতছানি তার সামনে। নবম মিনিটে পেনাল্টি পেল আর্জেন্টিনা। অবধারিতভাবেই শট নিতে গেলেন লিওনেল মেসি। ডালাসের গ্যালারি ছাড়িয়ে পুরো বিশ্ব উন্মুখ হয়ে ছিল মুহূর্তটার সাক্ষী হওয়ার।
একটা রেকর্ডের সাক্ষী তারা হলো বটে! তবে মেসির জন্য রেকর্ডটা অস্বস্তির। পেনাল্টি মিস করলেন আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড! বিশ্বকাপে এ নিয়ে তৃতীয়বার পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ মেসিই এখন এককভাবে বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টিতে সবচেয়ে বেশি মিস করার রেকর্ডধারী!
সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি নেওয়ার রেকর্ডও (৭) মেসিরই।
এরপর আরও দুবার গোলের কাছে গিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু কখনো অস্ট্রিয়ার গোলকিপার, কখনো ডিফেন্ডারের পা বাধা হয়ে দাঁড়াল তার গোলের পথে। আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা বুঝি তখন প্রমাদ গুনছিলেন। সে সময়টা, একেবারে নির্দিষ্ট করে বললে প্রথমার্ধের মাঝামাঝিতে পানি পানের বিরতি পর্যন্ত সময়টাতে মেসিও ছিলেন নিষ্প্রভ, আর্জেন্টিনাও ভালো খেলতে পারছিল না। অস্ট্রিয়া তার চেনা ঢংয়ে প্রচন্ড গতিতে প্রেসিং করে গেছে, আর্জেন্টিনাও ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না। তাতে এমন হচ্ছিল যে, যেন সেকেন্ড ত্রিশেকও কোনো দল বল পায়ে রাখতে পারছিল না। এর আগেই হয় ভুল পাস, নয়তো কোনো ধাক্কাধাক্কি বা ট্যাকলের দেখা মিলছিল।
প্রথমার্ধটাকেই দুই অর্ধে ভাগ করে দেওয়া পানি পানের বিরতির আগের কথা সেসব।
বিরতির পর আর্জেন্টিনার পাসিং গেইম শুরু হলো। দে পল, ম্যাকঅ্যালিস্টারদের পায়ে মাকড়সার জাল বিছাতে শুরু করল আর্জেন্টিনার পাসিং। অস্ট্রিয়া পিছু হটতে বাধ্য হলো। মেসি খেলায় আরও সম্পৃক্ত হতে শুরু করলেন।
আর্জেন্টিনার অতটুকুই দরকার ছিল।
ঘড়িতে সময় তখন ৩৮ মিনিট। মাঝমাঠে বল পেলেন মেসি। বাড়িয়ে দিলেন সামনে। বল গেল বাঁ দিকে মেদিনার পায়ে। বক্সের দিকে কাটব্যাক করলেন মেদিনা। বলের গতিপথে দাঁড়িয়ে আলমাদা, মেসি ঠিক একই রেখায় আরেকটু পেছনে, বক্সের ঠিক মাথায়। আলমাদা দারুণ খেল দেখালেন কিছুই না করে! বলটা ধরবেন মনে হচ্ছিল, শেষ মুহূর্তে বলে স্পর্শ না করেই ছেড়ে দিলেন। বল মেসির পায়ে!
এবং ডালাসের গ্যালারি ছাড়িয়ে পুরো বিশ্ব সাক্ষী হলো সেই রেকর্ডের, যার অপেক্ষা শুরু ম্যাচের নবম মিনিট থেকে।
বল মেসির পায়ে গেল। এবং জাদুকরী বাঁ পা আরেকবার খেল দেখাল! বক্সের বাইরে থেকেই প্রথম স্পর্শে বাঁ পায়ের বাঁকানো শট। এবার আর ভুল নয়। অস্ট্রিয়ান গোলকিপারের সাধ্য হলো না সে শট ঠেকানোর।
মেসি বনে গেলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। মেসি ১৭! জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা ১৬ গোল নিয়ে নেমে গেলেন দুই নম্বরে।
রেকর্ড গড়ার জন্য বুঝি পেনাল্টিটা ঠিক পছন্দ হচ্ছিল না আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের! ট্রেডমার্ক মেসি গোলেই এল রেকর্ড।
বিরতিতে মেসির ওই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আর্জেন্টিনা।

এক গোল পেলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যাওয়ার হাতছানি তার সামনে। নবম মিনিটে পেনাল্টি পেল আর্জেন্টিনা। অবধারিতভাবেই শট নিতে গেলেন লিওনেল মেসি। ডালাসের গ্যালারি ছাড়িয়ে পুরো বিশ্ব উন্মুখ হয়ে ছিল মুহূর্তটার সাক্ষী হওয়ার।
একটা রেকর্ডের সাক্ষী তারা হলো বটে! তবে মেসির জন্য রেকর্ডটা অস্বস্তির। পেনাল্টি মিস করলেন আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড! বিশ্বকাপে এ নিয়ে তৃতীয়বার পেনাল্টিতে গোল করতে ব্যর্থ মেসিই এখন এককভাবে বিশ্বকাপ ইতিহাসে পেনাল্টিতে সবচেয়ে বেশি মিস করার রেকর্ডধারী!
সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি নেওয়ার রেকর্ডও (৭) মেসিরই।
এরপর আরও দুবার গোলের কাছে গিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু কখনো অস্ট্রিয়ার গোলকিপার, কখনো ডিফেন্ডারের পা বাধা হয়ে দাঁড়াল তার গোলের পথে। আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা বুঝি তখন প্রমাদ গুনছিলেন। সে সময়টা, একেবারে নির্দিষ্ট করে বললে প্রথমার্ধের মাঝামাঝিতে পানি পানের বিরতি পর্যন্ত সময়টাতে মেসিও ছিলেন নিষ্প্রভ, আর্জেন্টিনাও ভালো খেলতে পারছিল না। অস্ট্রিয়া তার চেনা ঢংয়ে প্রচন্ড গতিতে প্রেসিং করে গেছে, আর্জেন্টিনাও ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না। তাতে এমন হচ্ছিল যে, যেন সেকেন্ড ত্রিশেকও কোনো দল বল পায়ে রাখতে পারছিল না। এর আগেই হয় ভুল পাস, নয়তো কোনো ধাক্কাধাক্কি বা ট্যাকলের দেখা মিলছিল।
প্রথমার্ধটাকেই দুই অর্ধে ভাগ করে দেওয়া পানি পানের বিরতির আগের কথা সেসব।
বিরতির পর আর্জেন্টিনার পাসিং গেইম শুরু হলো। দে পল, ম্যাকঅ্যালিস্টারদের পায়ে মাকড়সার জাল বিছাতে শুরু করল আর্জেন্টিনার পাসিং। অস্ট্রিয়া পিছু হটতে বাধ্য হলো। মেসি খেলায় আরও সম্পৃক্ত হতে শুরু করলেন।
আর্জেন্টিনার অতটুকুই দরকার ছিল।
ঘড়িতে সময় তখন ৩৮ মিনিট। মাঝমাঠে বল পেলেন মেসি। বাড়িয়ে দিলেন সামনে। বল গেল বাঁ দিকে মেদিনার পায়ে। বক্সের দিকে কাটব্যাক করলেন মেদিনা। বলের গতিপথে দাঁড়িয়ে আলমাদা, মেসি ঠিক একই রেখায় আরেকটু পেছনে, বক্সের ঠিক মাথায়। আলমাদা দারুণ খেল দেখালেন কিছুই না করে! বলটা ধরবেন মনে হচ্ছিল, শেষ মুহূর্তে বলে স্পর্শ না করেই ছেড়ে দিলেন। বল মেসির পায়ে!
এবং ডালাসের গ্যালারি ছাড়িয়ে পুরো বিশ্ব সাক্ষী হলো সেই রেকর্ডের, যার অপেক্ষা শুরু ম্যাচের নবম মিনিট থেকে।
বল মেসির পায়ে গেল। এবং জাদুকরী বাঁ পা আরেকবার খেল দেখাল! বক্সের বাইরে থেকেই প্রথম স্পর্শে বাঁ পায়ের বাঁকানো শট। এবার আর ভুল নয়। অস্ট্রিয়ান গোলকিপারের সাধ্য হলো না সে শট ঠেকানোর।
মেসি বনে গেলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। মেসি ১৭! জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা ১৬ গোল নিয়ে নেমে গেলেন দুই নম্বরে।
রেকর্ড গড়ার জন্য বুঝি পেনাল্টিটা ঠিক পছন্দ হচ্ছিল না আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের! ট্রেডমার্ক মেসি গোলেই এল রেকর্ড।
বিরতিতে মেসির ওই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আর্জেন্টিনা।