চরচা প্রতিবেদক

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বা এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আজ সোমবার রাত থেকে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আওতাধীন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের মুখোমুখি হতে পারেন।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস বিতরণ সংস্থা তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় তিতাসের আওতাভুক্ত এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পকারখানাসহ সব ধরনের সংযোগে গ্যাসের চাপ কম থাকবে। তবে কী কারণে হঠাৎ এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে, সে বিষয়ে তিতাসের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।
সাময়িক এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
দেশের সবচেয়ে বড় এই গ্যাস বিতরণ কোম্পানির আওতাধীন ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক রয়েছেন। ফলে আগামী কয়েকদিন গ্যাসের এই স্বল্পচাপের কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজে স্থবিরতা আসতে পারে, অন্যদিকে শিল্পকারখানার উৎপাদনেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বা এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আজ সোমবার রাত থেকে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আওতাধীন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের মুখোমুখি হতে পারেন।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস বিতরণ সংস্থা তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় তিতাসের আওতাভুক্ত এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পকারখানাসহ সব ধরনের সংযোগে গ্যাসের চাপ কম থাকবে। তবে কী কারণে হঠাৎ এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে, সে বিষয়ে তিতাসের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।
সাময়িক এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
দেশের সবচেয়ে বড় এই গ্যাস বিতরণ কোম্পানির আওতাধীন ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক রয়েছেন। ফলে আগামী কয়েকদিন গ্যাসের এই স্বল্পচাপের কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজে স্থবিরতা আসতে পারে, অন্যদিকে শিল্পকারখানার উৎপাদনেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এরমধ্যে দুটি ধারায় প্রত্যেককে ১০ বছর করে, দুটি ধারায় ৭ বছর করে এবং অন্য দুটি ধারায় ৫ বছর করে মোট ৪৪ বছর সাজা দেয় আদালত। এছাড়াও ছয় ধারায় ভিন্ন ভিন্ন অংকে প্রত্যেককে মোট এক কোটি টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে প্রত্যেককে মোট আরো তিন বছর ৬ মাসের সাজাও দেওয়া হয়।