
বেশি টাকা দিয়েও গ্যাসের সিলিন্ডার পাচ্ছে না রাজধানীর মানুষ। লাইনেও নেই চাপ। কোথাও কোথাও টানা গ্যাস নেই। এই সংকট সমাধান কবে হবে তা নিয়েও কোনো আশার বাণী শোনাতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

অনেক এলাকায় চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না। কোথাও গভীর রাতে সামান্য গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ছোট ছোট খাবারের দোকানগুলোতে রান্না ব্যাহত হচ্ছে। বাসাবাড়িতে রান্নার বিকল্প হিসেবে কেউ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন, কেউ আবার বাইরে থেকে খাবার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মিরপুর রোডে ৪ ইঞ্চি ব্যাসের একটি গ্যাস ভাল্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জরুরি মেরামতের প্রয়োজন পড়ে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে নতুন ভাল্ভ প্রতিস্থাপন করেছে।

দেশে প্রায় এক হাজার এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন রয়েছে। প্রায় দেড় লাখ যানবাহন এলপিজিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তবে বর্তমান সংকটে প্রায় সব স্টেশন অচল হয়ে পড়ায় এসব যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রাজধানীর মিরপুর রোডে তিতাস গ্যাসের বিতরণ পাইপের ভালভ ফেটে গেছে। এ কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।

রাজধানীতে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। তারওপর ৮ জানুয়ারি থেকে এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট শুরু করেছিলেন। যদিও বিকেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। আদাবর এলাকা ঘুরে ভিডিও করেছেন মাহিন আরাফাত।

আজ বৃহস্পতিবার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপিজি গ্যাসকে ‘গ্রীনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্রাহকদের চড়া মূল্যে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। তার মধ্যে বৃহস্পতিবার সারা দেশে সিলিন্ডার বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ফলে গ্রাহক ভোগান্তি এখন চরমে।

সাম্প্রতিক সময় বাংলাদেশে রান্নায় ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য। এই বিষয়ে একটি চরচা কথা বলেছে ওয়েবিনারের আয়োজন করেছিল চরচা।

২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিলে উৎপাদন থেমে যায়। দীর্ঘ ১৩ মাস বন্ধ থাকার পর ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গ্যাস সংযোগ ফিরে পেয়ে আবার চালু হয় কারখানাটি। উৎপাদন শুরুর মাত্র চার দিনের মাথায় ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের যান্ত্রিক ত্রুটিতে আবারও বন্ধ হয়ে যায়।

কমিশন বৃদ্ধি, বিইআরসি কর্তৃক একতরফা মূল্য ঘোষণা বন্ধসহ ৬ দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ৮ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর দিকে গ্যাস ক্যানিস্টার ছুঁড়ছেন। তেহরানের বাজারের অলিগলি এখন সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর টিয়ার গ্যাসের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। গত নয় দিন ধরে চলা এই আন্দোলনের মূল কারণ, দ্রুত পতনে থাকা ইরানি মুদ্রার মান এবং আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি।

নেভাদার লেক মিডে পরীক্ষিত ‘আর্ক স্পোর্ট ইভি’দেখাচ্ছে পরিবেশবান্ধব নৌযানের ভবিষ্যৎ। গ্যাসের বদলে বিদ্যুৎচালিত এই বোট দ্রুতগতি, নীরবতা ও শূন্য দূষণের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও আধুনিক প্রযুক্তি ও কম রক্ষণাবেক্ষণে বাজারে আগ্রহ বাড়ছে।

কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কমিশন জানায়, বর্তমানে অনেক এলাকায় ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি নির্ধারিত দাম ঘোষণার আগেই কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বাড়তি দামের তালিকা পাঠিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নতুন বছরে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, এলএনজি আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন রুপান্তরিত প্রকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের অপর উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কে. এম. জহিরুল ইসলাম।

নতুন বছরে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, এলএনজি আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন রুপান্তরিত প্রকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের অপর উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কে. এম. জহিরুল ইসলাম।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনুযায়ী এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। কিন্তু বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন।

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম আগের চেয়ে ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে অনুযায়ী এলপিজির দাম বাড়ানো হয়। কিন্তু বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন।