চরচা ডেস্ক

পোল্যান্ডে পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকির সঙ্গে তার সুসম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নাভরোকি ট্রাম্পের একজন জাতীয়তাবাদী মিত্র, যাকে গত বছরের নির্বাচনে ‘গর্বের সঙ্গে সমর্থন’ দিয়েছিলেন বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ নেটওয়ার্কে ট্রাম্প বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, যুক্তরাষ্ট্র পোল্যান্ডে অতিরিক্ত ৫ হাজার সেনা পাঠাবে।” ট্রাম্প এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইরান যুদ্ধে ইউরোপীয় মিত্ররা (যেমন-জার্মানি) যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি সমর্থন দেয়নি। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ রক্ষায় তারা সেনা পাঠাতে অস্বীকৃতি জানায়। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে আসছেন, ইউরোপের দেশগুলোকে তাদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। তারা যেন প্রতিরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর না করে।
পোল্যান্ডে সেনা পাঠানো নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও এক ধরনের দোলাচল চলছিল। প্রথমে ৪ হাজার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। পরে বলা হয় এটি ‘স্থগিত’। অবশেষে ট্রাম্প নিজেই সরাসরি ৫ হাজার সেনা পাঠানোর চূড়ান্ত ঘোষণা দেন।
মে মাসের শুরুতে পেন্টাগন ঘোষণা করেছিল, ওয়াশিংটন জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস আলোচনার টেবিলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপদস্ত’ করছে বলে মন্তব্য করার পর পেন্টাগন এই সিদ্ধান্ত নেয়।

পোল্যান্ডে পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকির সঙ্গে তার সুসম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নাভরোকি ট্রাম্পের একজন জাতীয়তাবাদী মিত্র, যাকে গত বছরের নির্বাচনে ‘গর্বের সঙ্গে সমর্থন’ দিয়েছিলেন বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ নেটওয়ার্কে ট্রাম্প বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, যুক্তরাষ্ট্র পোল্যান্ডে অতিরিক্ত ৫ হাজার সেনা পাঠাবে।” ট্রাম্প এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইরান যুদ্ধে ইউরোপীয় মিত্ররা (যেমন-জার্মানি) যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি সমর্থন দেয়নি। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ রক্ষায় তারা সেনা পাঠাতে অস্বীকৃতি জানায়। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করে আসছেন, ইউরোপের দেশগুলোকে তাদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। তারা যেন প্রতিরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর না করে।
পোল্যান্ডে সেনা পাঠানো নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও এক ধরনের দোলাচল চলছিল। প্রথমে ৪ হাজার সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। পরে বলা হয় এটি ‘স্থগিত’। অবশেষে ট্রাম্প নিজেই সরাসরি ৫ হাজার সেনা পাঠানোর চূড়ান্ত ঘোষণা দেন।
মে মাসের শুরুতে পেন্টাগন ঘোষণা করেছিল, ওয়াশিংটন জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস আলোচনার টেবিলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপদস্ত’ করছে বলে মন্তব্য করার পর পেন্টাগন এই সিদ্ধান্ত নেয়।