চরচা প্রতিবেদক

সেই ২০১০ সালের সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডে আর যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের। তবে আইসিসির বর্তমান এফটিপির বাইরে গিয়ে বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দিতে চাচ্ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। নাজমুল হোসেনের দলের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার চিন্তা করছে ইসিবি, এমনটাই জানাচ্ছে ইংল্যান্ডের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলো।
ব্রডকাস্টারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ইংল্যান্ডকে প্রতি গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে ছয়টি টেস্ট খেলতে হয়। আগামী গ্রীষ্মে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ শুরুর আগে সেই সূচিতে একটি ম্যাচের জায়গা রয়ে গেছে। শুরুতে পাকিস্তানকে বিবেচনা করা হলেও পরে তা ভেস্তে গেছে। এরপরই একটি টেস্টের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) যোগাযোগ করে ইসিবির সঙ্গে।
বিসিবির একজন কর্মকর্তা চরচাকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে একটা প্রস্তাব এসেছে। তবে কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়েছে। সামনের এক বছর অনেক ব্যস্ত সূচি আমাদের, আবার বিশ্বকাপও আছে। সবদিক ভেবেই বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।”
ইসিবির দেওয়া প্রস্তাবটি যদি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয় তাহলে, ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাবে বাংলাদেশ। দেশটিতে তারা সবশেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল ২০১০ সালে।
এই ম্যাচের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে লর্ডসের নাম আসছে। অ্যাশেজে টেস্ট না পাওয়ায় বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একমাত্র টেস্টের ভেন্যু হিসেবে লর্ডসকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
এখানে মজার ব্যাপার হলো, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে এসে দুটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ ম্যাচে মাঠে নামবে তারা।
এর আগে একমাত্র যে টেস্ট, সেটার প্রতিপক্ষ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে বাংলাদেশকে। ম্যাচটি ইংল্যান্ডের জন্য কার্যত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবেও কাজ করবে।
টেস্টে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ এখন সমীহ জাগানো দল। সম্প্রতি তারা পাকিস্তানকে ঘরে-বাইরে টানা চার টেস্টে হারানোর কীর্তি গড়েছে । তাই ইংল্যান্ড স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের সেরা প্রস্তুতির জন্য নাজমুল-লিটনদের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী হয়েছে।
ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট সিরিজটি হয়েছিল ২০১৬ সালে। ঢাকায় সেবার প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ ড্র হয়।

সেই ২০১০ সালের সফরের পর দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডে আর যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের। তবে আইসিসির বর্তমান এফটিপির বাইরে গিয়ে বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দিতে চাচ্ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। নাজমুল হোসেনের দলের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার চিন্তা করছে ইসিবি, এমনটাই জানাচ্ছে ইংল্যান্ডের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলো।
ব্রডকাস্টারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ইংল্যান্ডকে প্রতি গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে ছয়টি টেস্ট খেলতে হয়। আগামী গ্রীষ্মে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ শুরুর আগে সেই সূচিতে একটি ম্যাচের জায়গা রয়ে গেছে। শুরুতে পাকিস্তানকে বিবেচনা করা হলেও পরে তা ভেস্তে গেছে। এরপরই একটি টেস্টের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) যোগাযোগ করে ইসিবির সঙ্গে।
বিসিবির একজন কর্মকর্তা চরচাকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে একটা প্রস্তাব এসেছে। তবে কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়েছে। সামনের এক বছর অনেক ব্যস্ত সূচি আমাদের, আবার বিশ্বকাপও আছে। সবদিক ভেবেই বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।”
ইসিবির দেওয়া প্রস্তাবটি যদি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয় তাহলে, ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাবে বাংলাদেশ। দেশটিতে তারা সবশেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল ২০১০ সালে।
এই ম্যাচের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে লর্ডসের নাম আসছে। অ্যাশেজে টেস্ট না পাওয়ায় বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একমাত্র টেস্টের ভেন্যু হিসেবে লর্ডসকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
এখানে মজার ব্যাপার হলো, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে এসে দুটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ ম্যাচে মাঠে নামবে তারা।
এর আগে একমাত্র যে টেস্ট, সেটার প্রতিপক্ষ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে বাংলাদেশকে। ম্যাচটি ইংল্যান্ডের জন্য কার্যত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবেও কাজ করবে।
টেস্টে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ এখন সমীহ জাগানো দল। সম্প্রতি তারা পাকিস্তানকে ঘরে-বাইরে টানা চার টেস্টে হারানোর কীর্তি গড়েছে । তাই ইংল্যান্ড স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের সেরা প্রস্তুতির জন্য নাজমুল-লিটনদের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী হয়েছে।
ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট সিরিজটি হয়েছিল ২০১৬ সালে। ঢাকায় সেবার প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ ড্র হয়।