চরচা ডেস্ক

বর্তমানে ফ্যাটি লিভার শুধু মধ্যবয়সীদের নয়, তরুণদের মধ্যেও দ্রুত বাড়ছে। অস্বাস্থ্যকর খাবার, চিনি-সমৃদ্ধ পানীয়, কম নড়াচড়া এবং ওজন বাড়ার কারণে যকৃতের কোষে চর্বি জমে কাজের স্বাভাবিক গতি কমে আসে। তবে কিছু সবজি নিয়মিত খেলে ফ্যাটি লিভারকে প্রাকৃতিকভাবেই কমানো সম্ভব।
পালং শাক
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন, পালং শাকে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের ফ্যাট জমা কমাতে সরাসরি সহায়তা করে। এটি লিভারের প্রদাহ কমায় এবং ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। সালাদ থেকে ডাল-শাক- যেভাবেই খান, পালং শাক দ্রুত লিভারের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
ব্রকলি
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রকলি লিভারের ফ্যাট জমার প্রবণতা কমায় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে আনে। এর বিশেষ উপাদান সলফোরাফেন লিভারের কোষকে সুরক্ষা দেয় ও ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনর্গঠনে সাহায্য করে। ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্য স্টিম করা ব্রকলি বা ব্রকলি স্যুপ বিশেষ উপকারী।
ফুলকপি
এটি শরীরে গ্লুটাথায়ন উৎপাদন বাড়ায়, যা যকৃতে শক্তিশালী ডিটক্স এনজাইম হিসেবে কাজ করে। ব্রাসিকা পরিবারের অন্যান্য সবজির মতো ফুলকপিও যকৃত থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং ফ্যাট ভাঙার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
করলা
যদিও স্বাদ তেতো, কিন্তু যকৃত সুরক্ষায় এটিকে ‘মিরাকল ভেজিটেবল’ বলা হয়। করলার বিশেষ কিছু বায়ো-অ্যাকটিভ উপাদান যেমন চ্যারেন্টিন ও মোমোর্ডিন থাকে যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়, যার ফলে যকৃতে চর্বি জমা কমে। এটি লিভারের প্রদাহ কমাতেও কার্যকর।
বাঁধাকপি
বাঁধাকপিতে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস লিভারের ফ্যাটি এসিড মেটাবলিজম বাড়ায়, ফলে যকৃতের কোষে জমে থাকা চর্বি ধীরে ধীরে কমে আসে। এছাড়া এটি পাচনতন্ত্র ঠিক রাখে, যা ফ্যাটি লিভার ব্যবস্থাপনায় বড় ভূমিকা রাখে।
এই পাঁচটি সবজি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ফ্যাটি লিভার কমার গতি বাড়ে। তবে শুধু সবজি নয়, সঙ্গে চিনি কমানো, খাদ্যাভাসে প্রোটিন বাড়ানো এবং প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা- এই অভ্যাসগুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বর্তমানে ফ্যাটি লিভার শুধু মধ্যবয়সীদের নয়, তরুণদের মধ্যেও দ্রুত বাড়ছে। অস্বাস্থ্যকর খাবার, চিনি-সমৃদ্ধ পানীয়, কম নড়াচড়া এবং ওজন বাড়ার কারণে যকৃতের কোষে চর্বি জমে কাজের স্বাভাবিক গতি কমে আসে। তবে কিছু সবজি নিয়মিত খেলে ফ্যাটি লিভারকে প্রাকৃতিকভাবেই কমানো সম্ভব।
পালং শাক
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন, পালং শাকে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের ফ্যাট জমা কমাতে সরাসরি সহায়তা করে। এটি লিভারের প্রদাহ কমায় এবং ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। সালাদ থেকে ডাল-শাক- যেভাবেই খান, পালং শাক দ্রুত লিভারের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
ব্রকলি
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রকলি লিভারের ফ্যাট জমার প্রবণতা কমায় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে আনে। এর বিশেষ উপাদান সলফোরাফেন লিভারের কোষকে সুরক্ষা দেয় ও ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনর্গঠনে সাহায্য করে। ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্য স্টিম করা ব্রকলি বা ব্রকলি স্যুপ বিশেষ উপকারী।
ফুলকপি
এটি শরীরে গ্লুটাথায়ন উৎপাদন বাড়ায়, যা যকৃতে শক্তিশালী ডিটক্স এনজাইম হিসেবে কাজ করে। ব্রাসিকা পরিবারের অন্যান্য সবজির মতো ফুলকপিও যকৃত থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং ফ্যাট ভাঙার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
করলা
যদিও স্বাদ তেতো, কিন্তু যকৃত সুরক্ষায় এটিকে ‘মিরাকল ভেজিটেবল’ বলা হয়। করলার বিশেষ কিছু বায়ো-অ্যাকটিভ উপাদান যেমন চ্যারেন্টিন ও মোমোর্ডিন থাকে যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়, যার ফলে যকৃতে চর্বি জমা কমে। এটি লিভারের প্রদাহ কমাতেও কার্যকর।
বাঁধাকপি
বাঁধাকপিতে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস লিভারের ফ্যাটি এসিড মেটাবলিজম বাড়ায়, ফলে যকৃতের কোষে জমে থাকা চর্বি ধীরে ধীরে কমে আসে। এছাড়া এটি পাচনতন্ত্র ঠিক রাখে, যা ফ্যাটি লিভার ব্যবস্থাপনায় বড় ভূমিকা রাখে।
এই পাঁচটি সবজি নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ফ্যাটি লিভার কমার গতি বাড়ে। তবে শুধু সবজি নয়, সঙ্গে চিনি কমানো, খাদ্যাভাসে প্রোটিন বাড়ানো এবং প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা- এই অভ্যাসগুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া