Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

ফরাসি স্যারদের ফিতা যেভাবে চিকেন কডোন ব্লু

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫: ০৭
ফরাসি স্যারদের ফিতা যেভাবে চিকেন কডোন ব্লু

এক কালে ফরাসি দেশের উচ্চশ্রেণির মানুষ, বিশেষ করে যারা নাইটহুড পেতেন তারা এক ধরনের নীল ফিতা (ব্লু রিবন) পোশাকের সঙ্গে ব্যবহার করতেন। যাকে বলা হতো ‘কডোন ব্লু’।

Advertisement

ফরাসি রাজা তৃতীয় হেনরি ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোলি স্পিরিট’ যখন প্রবর্তন করেন এটা সেসময়ের কথা। কালক্রমে সেই ফিতা এসে পড়ল অসামান্য শেফদের পোশাকে। দুর্দান্ত রান্না করতে পারেন এমন সব বাবুর্চিদের ‘কডোন ব্লু’ বলা হতো।

কাটলেট নামের যে বস্তুটি খেয়ে থাকি, তার সঙ্গে এই ভারতীয় উপমহাদেশের পরিচয় ব্রিটিশদের মাধ্যমে। তবে অনেকে বলেন, এই কাটলেট ‘আদতে অস্ট্রিয়ান’। ‘স্নিৎজেল’ বলে প্রায় একইরকম একটি বস্তু সেখানে পাওয়া যায়। যেটার সঙ্গে কাটলেটের সম্পর্ক অত্যন্ত কাছের। ১৮৩১ সালে একটি জার্মান রেসিপি বিষয়ক বইয়ে স্নিৎজেলের কথা প্রথম পাওয়া যায়।

একটা গল্প আছে যে, অস্ট্রিয়ান ফিল্ড মার্শাল জন জোসেফ ওয়েনসেসলাশ অ্যান্টনি ফ্রান্সিস চার্লস নাকি ১৮৫৭ সালে ইতালি থেকে এই স্নিৎজেল বস্তুটি অস্ট্রিয়াতে নিয়ে আসেন। যদিও অনেকেই বলেন এটা নিছকই গল্প। খাবারের পেছনে কত গল্পইতো থাকে। এই স্নিৎজেল আদতে বাছুরের পাতলা মাংস কোনো একটা ব্যাটারে চুবিয়ে তাওয়ায় ভাজা কাটলেট। কাটলেট নিয়ে পরে কখনও আরও কথা হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে ওই নীল ফিতা থেকে একটি খাবারের নাম এসেছে। যার নামও ‘কডোন ব্লু’। যদিও এর উৎপত্তি ফ্রান্সে নয়। প্রতিবেশী দেশ সুইজারল্যান্ডে। আর খাবারটির জন্ম হয়েছে সেই স্নিৎজেল থেকে। সুইজারল্যান্ডের ব্রিগে একটি রেস্তোরাঁয় একদিন দুটি বুকিং আসে। কিন্তু ভাঁড়ারে যা মুরগি আছে তা দিয়ে সবাইকে যথেষ্ট পরিমাণ খাওয়ানো যাবে না। শেফ তখন এক বুদ্ধি করলেন। তিনি মুরগির মাংস দিয়ে স্নিৎজেল বানালেন। তারপর সেটির ভেতরে চিজ আর হ্যাম ভরে দিলেন। সে যাত্রায় মান-সম্মান রক্ষা পেল। শেফের এই ঘটনায় রেস্তোরাঁর মালিক খুশি হয়ে তাকে ব্লু রিবন বা কডোন ব্লু দিতে চাইলেন।

চিকেন কডন ব্লু। ছবি: চরচা
চিকেন কডন ব্লু। ছবি: চরচা

মহীয়সী সেই কুক রেস্তোরাঁ মালিককে বললেন, তার ব্লু রিবন চাই না। বরং খাবারটার নাম দেওয়া হোক ‘কডোন ব্লু’। হলোও তাই। নিজে ব্লু রিবন না নিয়ে খাবারটির নাম দিয়ে ইতিহাসে নাম লেখালেন শেফ। যদিও অনেকে এই ঘটনাকে স্রেফ গল্প বলে উড়িয়ে দিতে চান। তবে কডোন ব্লু নিয়ে এই গল্প বেশ জনপ্রিয়।

১৯৬০ সালের দিকে এই খাবরটি পৌঁছে যায় আমেরিকায়। ৬৭ সালে নিউইয়র্ক টাইমস কডোন ব্লু নিয়ে সুইজারল্যান্ডের সেই রেস্তোরাঁর গল্পটি ছাপে। খাবারটি আমেরিকানদের কাছে জনপ্রিয় হয় বেশ দ্রুতই। প্রতি বছরের ৪ঠা এপ্রিল আমেরিকায় ‘চিকেন কডোন’ ব্লু দিবস পালন হয়।

কডোন ব্লু বানানোর জন্য দরকার মুরগির বুকের মাংস, চিজ, ব্রেডক্রাম্ব আরও বেশ কিছু জিনিস। এটা বিভিন্ন রকমের মাংস দিয়ে বিশ্বব্যাপী তৈরি করা হয়।

বিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে এই বিশেষ পদ সারা বিশ্বের রেস্তোরাঁ সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। মুরগির নরম মাংসের ভেতরে সযত্নে রাখা চিজ ও হ্যাম, তার ওপর ব্রেডক্রাম্বের আবরণ—দেখতে যেমন চমকপ্রদ, খেতেও তেমনি লোভনীয়।

রেস্তোরাঁগুলোর জন্যও পদটি যেন এক স্বস্তির নাম। জটিল কোনো উপকরণ ছাড়াই অনেক পরিমাণে তৈরি করা যায় বলে অতিথি ভরপুর ডাইনিং হলে এটি পরিবেশন করা সহজ।

ফাইন ডাইন রেস্তোরাঁর পাশাপাশি চিকেন কডোন ব্লু জায়গা করে নেয় চেইন রেস্তোরাঁগুলোতেও। সাশ্রয়ী দাম, সমৃদ্ধ স্বাদ আর ভরপেট আনন্দ—সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে সবার প্রিয়। ম্যাশড পটেটো কিংবা হালকা সালাদের সঙ্গে পরিবেশিত হলে খাবারটি এক ধরনের পূর্ণতা পায়।

বিষয়: খাদ্য সংস্কৃতিলাইফস্টাইলখাদ্যখাদ্যাভ্যাস
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    যে হাটে নেই কোনো প্লাস্টিক পণ্য

  • ২

    ‘নিষিদ্ধ করার কর্তৃপক্ষ তো তুমি না’

  • ৩

    তরুণদের আন্দোলন ‘সফল’ করেছেন মোদি!

  • ৪

    ‘রাজনৈতিক রিকনসিলিয়েশনের বিষয়টা এখন সময়ের দাবি’

  • ৫

    যেই জায়গা থেকে শিল্প-সাহিত্য করি, সেই জায়গা থেকেই অন্যায়ের প্রতিবাদ: আহমেদ হাসান সানি

সম্পর্কিত
  • সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

  • সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।

  • শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    শিশুর ডেঙ্গু হলে করণীয় কী?

    অনেক অভিভাবক শুরুতে জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর মনে করে বাড়িতেই চিকিৎসা চালিয়ে যান। কিন্তু ডেঙ্গুতে দেরিতে চিকিৎসা শুরু হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে প্লাটিলেট কমে গেলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।

  • কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    কীভাবে বুঝবেন আপনি গরিব?

    নিয়মিত বেতন পেয়ে মোটামুটি ভালোভাবে জীবনযাপন করলেও কিন্তু আর্থিক সমস্যা থাকতে পারে। আপনি দৈনন্দিন বিলগুলো হয়তো পরিশোধ করতে পারছেন, কিন্তু হুট করে বড় কোনো খরচ এসে পড়লে সমস্যায় পড়ে যান। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কাউকে গরিব বলা যায় না। এতে বোঝা যায় যে আপনি আর্থিকভাবে চাপে আছেন।