চরচা ডেস্ক

মেট্রোরেলের এমআরটি বা র্যাপিড পাস রিচার্জ করতে আর স্টেশনে যেতে হবে না। আজ মঙ্গলবার থেকে যেকোনো স্থান থেকে এই কার্ডে টাকা রিচার্জ করা যাবে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব ধরনের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।
অনলাইন রিচার্জ করার জন্য প্রথমে ব্যবহারকারীকে www.rapidpass.com.bd ওয়েবসাইট বা অ্যাপ–এ নিবন্ধন করতে হবে।
প্রয়োজনে তার র্যাপিড পাস কার্ডটিও রেজিস্টার করতে হবে। রিচার্জ অপশনে গিয়ে বেছে নিতে হবে র্যাপিড পাস নাকি এমআরটি পাস রিচার্জ করা হবে।
যেকোনো পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে রিচার্জ করা যাবে, তবে এভিএমে (AVM) ট্যাপ করার আগ পর্যন্ত রিচার্জটি অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকবে। এভিএমে ট্যাপ করার পর রিচার্জ করা ব্যালেন্স আপডেট হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সফল রিচার্জের পর নিবন্ধিত মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। একবারে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায় এবং আগের পেন্ডিং রিচার্জ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন রিচার্জ করা যায় না। যদি কার্ড ব্ল্যাকলিস্টেড, রিফান্ডেড বা অবৈধ হয়, তবে রিচার্জ করা সম্ভব নয়। ব্যবহারকারী তার রিচার্জ হিস্ট্রি অ্যাপ বা ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে দেখতে পারবেন।
রিচার্জ বাতিলের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী চাইলে এভিএমে ট্যাপ করার আগে ৭ দিনের মধ্যে রিফান্ডের অনুরোধ করতে পারেন, তবে এ ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়া হবে। কোনো কার্ড ব্ল্যাকলিস্টেড থাকার কারণে অনলাইনে রিচার্জ করা হলেও এভিএমে ট্যাপ না করা পর্যন্ত ব্যালেন্স আপডেট সম্ভব না হলে ব্যবহারকারী রিফান্ড চাইতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রেও একই হারে ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে।

মেট্রোরেলের এমআরটি বা র্যাপিড পাস রিচার্জ করতে আর স্টেশনে যেতে হবে না। আজ মঙ্গলবার থেকে যেকোনো স্থান থেকে এই কার্ডে টাকা রিচার্জ করা যাবে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব ধরনের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।
অনলাইন রিচার্জ করার জন্য প্রথমে ব্যবহারকারীকে www.rapidpass.com.bd ওয়েবসাইট বা অ্যাপ–এ নিবন্ধন করতে হবে।
প্রয়োজনে তার র্যাপিড পাস কার্ডটিও রেজিস্টার করতে হবে। রিচার্জ অপশনে গিয়ে বেছে নিতে হবে র্যাপিড পাস নাকি এমআরটি পাস রিচার্জ করা হবে।
যেকোনো পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে রিচার্জ করা যাবে, তবে এভিএমে (AVM) ট্যাপ করার আগ পর্যন্ত রিচার্জটি অপেক্ষমাণ অবস্থায় থাকবে। এভিএমে ট্যাপ করার পর রিচার্জ করা ব্যালেন্স আপডেট হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সফল রিচার্জের পর নিবন্ধিত মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। একবারে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায় এবং আগের পেন্ডিং রিচার্জ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন রিচার্জ করা যায় না। যদি কার্ড ব্ল্যাকলিস্টেড, রিফান্ডেড বা অবৈধ হয়, তবে রিচার্জ করা সম্ভব নয়। ব্যবহারকারী তার রিচার্জ হিস্ট্রি অ্যাপ বা ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে দেখতে পারবেন।
রিচার্জ বাতিলের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারী চাইলে এভিএমে ট্যাপ করার আগে ৭ দিনের মধ্যে রিফান্ডের অনুরোধ করতে পারেন, তবে এ ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়া হবে। কোনো কার্ড ব্ল্যাকলিস্টেড থাকার কারণে অনলাইনে রিচার্জ করা হলেও এভিএমে ট্যাপ না করা পর্যন্ত ব্যালেন্স আপডেট সম্ভব না হলে ব্যবহারকারী রিফান্ড চাইতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রেও একই হারে ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে।