চরচা ডেস্ক

আধুনিক জীবনযাত্রায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে 'ওয়ান মিল অ্যা ডে' ধারণাটি জনপ্রিয়তা লাভ করছে। এটি এমন একটি জীবনধারা যা শরীরের জৈবিক প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়ুর জন্য নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পারে।
এ বিষয়ে ভারতের হৃদরোগ ও ফাংশনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অলোক চোপড়া বলেন, ‘কম কিন্তু ঘন ঘন খাবার খেলে বার্ধক্যের প্রক্রিয়া ধীর হয় এবং স্বাস্থ্যের আয়ু বাড়ে।’
স্থুলতা ও ওম্যাড পদ্ধতি
চিকিৎসক চোপড়ার মতে, ওমাড বা দীর্ঘ সময়ের উপবাস অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এমআইটি-র একটি গবেষণার সূত্র দিয়ে তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার উপবাস অন্ত্রের অভ্যন্তরে স্টেম সেল উৎপাদন বাড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত করতে সাহায্য করে। উপবাসের এই সময়ে চিনি-নির্ভর খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো বিকাশের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে যা হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে।
উপবাসের ফলে শরীর স্থির ফ্যাট গলানোর পর্যায় প্রবেশ করে। এতে শরীরে পুষ্টিগত কিটোসিস তৈরি করে এবং অটোফ্যাজি (কোষ পরিষ্কারের প্রক্রিয়া) বাড়িয়ে তোলে। প্রক্রিয়াটি শরীরের প্রদাহ কমায় পাশাপাশি কোষের মান উন্নত করে।
ওম্যাড পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে
এই পদ্ধতিতে ২৩ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা হয়। উপোসের সময় ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য লেবু মিশ্রিত পানি পান করা যেতে পারে। পরবর্তীতে ভোজের জন্য হাল্কা খাবার হিসেবে স্যুপ ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে। মূল খাবারের মধ্যে প্রোটিন (যেমন ডিম), ব্রকলির মতো সবজি এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (যেমন অ্যাভোকাডো, কাজুবাদাম) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, একবারে সমস্ত ক্যালোরি গ্রহণ করা হজমের উপর চাপ ফেলতে পারে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা এই পদ্ধতিটি বেশ কিছু অবস্থার মানুষের ক্ষেত্রে নিষেধ করেছেন। ওমাড বা এই ধরনের দীর্ঘ উপোস পদ্ধতি অনুসরণ থেকে বিরত থাকতে হবে বেশ কিছু শ্রেণির মানুষের। যেমন: গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী, ১৮ বছরের কম বয়সীরা, কম ওজনযুক্ত বা খাদ্যাভ্যাসজনিত রোগে ভোগা ব্যক্তিরা, অসুস্থতা বা অস্ত্রোপচার থেকে সদ্য সেরে ওঠা ব্যক্তিরা ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আধুনিক জীবনযাত্রায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে 'ওয়ান মিল অ্যা ডে' ধারণাটি জনপ্রিয়তা লাভ করছে। এটি এমন একটি জীবনধারা যা শরীরের জৈবিক প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়ুর জন্য নতুন করে সাজিয়ে তুলতে পারে।
এ বিষয়ে ভারতের হৃদরোগ ও ফাংশনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অলোক চোপড়া বলেন, ‘কম কিন্তু ঘন ঘন খাবার খেলে বার্ধক্যের প্রক্রিয়া ধীর হয় এবং স্বাস্থ্যের আয়ু বাড়ে।’
স্থুলতা ও ওম্যাড পদ্ধতি
চিকিৎসক চোপড়ার মতে, ওমাড বা দীর্ঘ সময়ের উপবাস অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এমআইটি-র একটি গবেষণার সূত্র দিয়ে তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার উপবাস অন্ত্রের অভ্যন্তরে স্টেম সেল উৎপাদন বাড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত করতে সাহায্য করে। উপবাসের এই সময়ে চিনি-নির্ভর খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো বিকাশের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে যা হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে।
উপবাসের ফলে শরীর স্থির ফ্যাট গলানোর পর্যায় প্রবেশ করে। এতে শরীরে পুষ্টিগত কিটোসিস তৈরি করে এবং অটোফ্যাজি (কোষ পরিষ্কারের প্রক্রিয়া) বাড়িয়ে তোলে। প্রক্রিয়াটি শরীরের প্রদাহ কমায় পাশাপাশি কোষের মান উন্নত করে।
ওম্যাড পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে
এই পদ্ধতিতে ২৩ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা হয়। উপোসের সময় ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য লেবু মিশ্রিত পানি পান করা যেতে পারে। পরবর্তীতে ভোজের জন্য হাল্কা খাবার হিসেবে স্যুপ ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে। মূল খাবারের মধ্যে প্রোটিন (যেমন ডিম), ব্রকলির মতো সবজি এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (যেমন অ্যাভোকাডো, কাজুবাদাম) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, একবারে সমস্ত ক্যালোরি গ্রহণ করা হজমের উপর চাপ ফেলতে পারে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা এই পদ্ধতিটি বেশ কিছু অবস্থার মানুষের ক্ষেত্রে নিষেধ করেছেন। ওমাড বা এই ধরনের দীর্ঘ উপোস পদ্ধতি অনুসরণ থেকে বিরত থাকতে হবে বেশ কিছু শ্রেণির মানুষের। যেমন: গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী, ১৮ বছরের কম বয়সীরা, কম ওজনযুক্ত বা খাদ্যাভ্যাসজনিত রোগে ভোগা ব্যক্তিরা, অসুস্থতা বা অস্ত্রোপচার থেকে সদ্য সেরে ওঠা ব্যক্তিরা ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস