চরচা ডেস্ক

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রসিকিউশন।
আজ রোববার ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিটির টিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনটি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত তারিখে এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হবে।
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা এ মামলার আসামি।
২০১৩ সালের ৫ মে কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) অবমাননার অভিযোগ এবং ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচি পালন করে হেফাজতে ইসলাম। সেদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজারো আলেম, মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ও সমর্থক রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমবেত হন।
পরে গভীর রাতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে গুলি, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে সমাবেশটি ছত্রভঙ্গ করে। এ ঘটনায় বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও নিহতের সঠিক সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে।
ঘটনার ১১ বছর পার হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ ঘটনার বিচার সম্পন্ন হয়নি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রসিকিউশন।
আজ রোববার ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিটির টিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনটি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত তারিখে এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হবে।
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা এ মামলার আসামি।
২০১৩ সালের ৫ মে কোরআন ও মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) অবমাননার অভিযোগ এবং ১৩ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচি পালন করে হেফাজতে ইসলাম। সেদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজারো আলেম, মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ও সমর্থক রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমবেত হন।
পরে গভীর রাতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে গুলি, টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে সমাবেশটি ছত্রভঙ্গ করে। এ ঘটনায় বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও নিহতের সঠিক সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে।
ঘটনার ১১ বছর পার হলেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ ঘটনার বিচার সম্পন্ন হয়নি। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে।

গত ৮ জুলাই স্বামী রনির সাথে চলে যাওয়ার জন্য নগরীর বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাড়ি থেকে বের হয় নির্জনা। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাস্তা থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। ওইদিন বিকেলে মা সীমার সাথে নির্জনার কথা কাটাকাটি হয়। সে সময় নির্জনা মায়ের গায়ে হাত তোলে। এরপর সীমার গলা টিপে ধরে নির্জনা।