উইকেটে বোলারদের জন্য বলতে গেলে কিছু নেই বলেই ছিল শঙ্কা। তবে চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়ার লম্বা ব্যাটিং অর্ডার বাংলাদেশকে সেভাবে সমস্যায় ফেলতে পারেনি। ক্যামেরন গ্রিন একা লড়ে গেলেও মেহেদি হাসান মিরাজের পাঁচ উইকেট স্বাগতিকদের বড় লিড নিতে দেয়নি। তাই ইতিহাস গড়া জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ৫৭ রান।
গ্রিনের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছে ২৮৪ রানে।
এই রান তাড়া করতে পারলে নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারানোর গৌরব অর্জন করবে বাংলাদেশ। আর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে হবে সব ফরম্যাট মিলিয়েই প্রথম জয়।
বাংলাদেশকে এই মঞ্চে তুলে দিয়েছেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে মহাগুরুত্বপূর্ণ এক ফিফটি করেছিলেন ব্যাট হাতে। তবে মূল কাজ তো বোলিংয়ে। নিষ্প্রাণ উইকেটে বল হাতেও মিরাজ দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা।
গ্রিন ও এলেক্স কেয়ারির জুটির ওপর অনেকটাই নির্ভর করছিল ম্যাচের ভাগ্য। এই জুটি বিপদের কারণ হওয়ার আগেই তা ভাঙেন মিরাজ। কেয়ারিকে ৩০ রানের ফেরানোর পর একে একে বিউ ওয়েবস্টারকে (৫) টার্নিং ডেলিভারিতে করেন বোল্ড।
৩২ বলে ৮ রান করা অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের রক্ষণ দুর্গ ভেঙে তাকে শর্ট লেগে ক্যাচ দিতেও বাধ্য করেন মিরাজ। এরপর তাসকিন একটি উইকেট নেন। আর অন্যপ্রান্তে সেঞ্চুরি করা গ্রিনকে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ।
আর নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে পাঁচ উইকেট পূরণ করেন মিরাজ। টেস্টে এই নিয়ে ১৫তম বার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেটের দেখা পেয়েছেন অভিজ্ঞ এই অফ স্পিনার।