চরচা ডেস্ক

ভারতের তেলেঙ্গানা প্রদেশে যাত্রী বোঝাই বাসের সঙ্গে পাথর-বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে ২০ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সোমবার সকালে তেলেঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলার হায়দরাবাদ-বিজাপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি যাত্রী বোঝাই বাসের সঙ্গে পাথর-বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়।ফলে ২০ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এনডিটিভির সূত্রের বরাতে জানানো হয়, তেলেঙ্গানা স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের বাসটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। বাসটি বিকরাবাদ জেলার তাণ্ডুর থেকে হায়দরাবাদের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় নির্মাণ সামগ্রী বহনকারী একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। ট্রাকে থাকা পাথর বাসের ভেতরে ঢুকে গিয়ে যাত্রীদের ওপরে পড়ে।
তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেভান্ত রেড্ডি সড়ক দূর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছে ১০ মাস বয়সী শিশু, ১০ জন নারী এবং দুই গাড়ির চালক। দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীদের নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভারতের তেলেঙ্গানা প্রদেশে যাত্রী বোঝাই বাসের সঙ্গে পাথর-বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে ২০ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সোমবার সকালে তেলেঙ্গানার রঙ্গারেড্ডি জেলার হায়দরাবাদ-বিজাপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি যাত্রী বোঝাই বাসের সঙ্গে পাথর-বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়।ফলে ২০ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এনডিটিভির সূত্রের বরাতে জানানো হয়, তেলেঙ্গানা স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের বাসটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। বাসটি বিকরাবাদ জেলার তাণ্ডুর থেকে হায়দরাবাদের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় নির্মাণ সামগ্রী বহনকারী একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। ট্রাকে থাকা পাথর বাসের ভেতরে ঢুকে গিয়ে যাত্রীদের ওপরে পড়ে।
তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেভান্ত রেড্ডি সড়ক দূর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছে ১০ মাস বয়সী শিশু, ১০ জন নারী এবং দুই গাড়ির চালক। দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীদের নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।