রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরে দেশে ৫৪৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০৩ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ হাজার ১৮৬ জন। বেশিরভাগ প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।
আজ রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে নারী ৬৬ জন এবং শিশু ৭৮ জন। মোট নিহতের মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২০৪ জনের, যা শতকরা ৪০ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এতে আরও বলা হয়েছে, ডিসেম্বর মাসে সংঘটিত ২৩৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় ১৩১ জন পথচারী নিহত হন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ০৪ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৩ জন, যা শতকরা ১২ দশমিক ৫২।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৩৮টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩৬ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হন।
সংস্থাটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
সড়কের ধরন অনুযায়ী দুর্ঘটনার মধ্যে ১৯৪টি জাতীয় মহাসড়কে, ২১৭টি আঞ্চলিক সড়কে, ৫৩টি গ্রামীণ সড়কে, ৭৬টি শহরের সড়কে এবং ৭টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১১২টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১৪টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১৩৬টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৮১টি পেছন থেকে আঘাত এবং ৪টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি, লরি, ড্রাম ট্রাক, ডাম্পার, পুলিশভ্যান, তেলবাহী ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের অংশগ্রহণ ছিল ২৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোটরসাইকেলের অংশগ্রহণ ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং থ্রি-হুইলারের অংশগ্রহণ ১৬ দশমিক ৮১ শতাংশ।
প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও মানসিক চাপ, নির্ধারিত বেতন-কর্মঘন্টা না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকেও দায়ী করা হয়েছে।

বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরে দেশে ৫৪৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০৩ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ হাজার ১৮৬ জন। বেশিরভাগ প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।
আজ রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে নারী ৬৬ জন এবং শিশু ৭৮ জন। মোট নিহতের মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২০৪ জনের, যা শতকরা ৪০ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এতে আরও বলা হয়েছে, ডিসেম্বর মাসে সংঘটিত ২৩৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দুর্ঘটনায় ১৩১ জন পথচারী নিহত হন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ০৪ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৩ জন, যা শতকরা ১২ দশমিক ৫২।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ৩৮টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩৬ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হন।
সংস্থাটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
সড়কের ধরন অনুযায়ী দুর্ঘটনার মধ্যে ১৯৪টি জাতীয় মহাসড়কে, ২১৭টি আঞ্চলিক সড়কে, ৫৩টি গ্রামীণ সড়কে, ৭৬টি শহরের সড়কে এবং ৭টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১১২টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১৪টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১৩৬টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৮১টি পেছন থেকে আঘাত এবং ৪টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি, লরি, ড্রাম ট্রাক, ডাম্পার, পুলিশভ্যান, তেলবাহী ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের অংশগ্রহণ ছিল ২৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোটরসাইকেলের অংশগ্রহণ ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং থ্রি-হুইলারের অংশগ্রহণ ১৬ দশমিক ৮১ শতাংশ।
প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও মানসিক চাপ, নির্ধারিত বেতন-কর্মঘন্টা না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকেও দায়ী করা হয়েছে।

পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও মূল্যায়ন করেন। কমিশনের অর্থায়নে আতিথেয়তা গ্রহণ করলে তারা কতটা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে। এতে পর্যবেক্ষকদের 'ভাড়াটে' হিসেবে গণ্য হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।