স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি বদলি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জনমনের নেতিবাচক ধারণা থেকে বের হতে এই বদলি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ লটারি অনুষ্ঠান শুরু হয়। বদলি কার্যক্রম উদ্বোধনের পর আইনমন্ত্রী এসব কথা জানান।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “সাব রেজিস্ট্রার পদে বদলি ও পদায়ন নিয়ে জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা (পারসেপশন) আছে। রাতারাতি সব পাল্টে ফেলা সম্ভব না। কোনো না কোনো জায়গা থেকে শুরু করতে হবে, সে কাজ আজ শুরু হলো।”
“ঢাকায় পোস্টিংকে প্রাইস পোস্টিং হিসেবে ধরা হয়। ধরে নেওয়া হয়, যাদের এখানে পোস্টিং তারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রাইস পোস্টিংয়ের মধ্যে প্রথম লটারি হচ্ছে।”
এর আগে গত ৪ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে আইন মন্ত্রণালয় জানায়, ঢাকা জেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর জন্য নির্ধারিত পদগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সাব-রেজিস্ট্রারদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হবে।
আইনমন্ত্রী জানান, ঢাকার ১৮টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসের জন্য সারাদেশের ১৩১ জনের মধ্যে ১৮ জনকে লটারির মাধ্যমে প্রথম ধাপে বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে দক্ষতা দেখে গুরুত্বপূর্ণ সাবরেজিস্ট্রি অফিসে বদলি করা হবে। বদদি করা স্থানে গিয়েই যদি কেউ দুর্নীতি শুরু করেন, তাহলে তাকে সরিয়ে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাবরেজিস্ট্রারের কাছ থেকে সাংবাদিকের টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে বলেও উল্লেখ করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “কোনো সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পেলে কাউকে হয়রানি করা হবে না, আর অভিযোগ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”