চরচা প্রতিবেদক

ঢাকার ধামরাইয়ে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রীসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই পৌর এলাকার কিষাণ নগর মহল্লায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন সুমনা বেগম, তার স্বামী বাদশা মিয়া, আরাফাত ও আবু বকর সিদ্দিক।
চিকিৎসক জানান, সুমনা বেগমের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর দগ্ধ হওয়ায় তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে বাদশা মিয়ার শরীরের ২ দশমিক ৫ শতাংশ, আরাফাতের ১ শতাংশ এবং আবু বকর সিদ্দিকের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাদশা মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলার রান্নাঘরে গ্যাসের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। পরে চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে রান্নাঘরে থাকা বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা বেগম দগ্ধ হন। বিস্ফোরণের সময় আশপাশে থাকা আরও দুজনও আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

ঢাকার ধামরাইয়ে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রীসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই পৌর এলাকার কিষাণ নগর মহল্লায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন সুমনা বেগম, তার স্বামী বাদশা মিয়া, আরাফাত ও আবু বকর সিদ্দিক।
চিকিৎসক জানান, সুমনা বেগমের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। গুরুতর দগ্ধ হওয়ায় তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে বাদশা মিয়ার শরীরের ২ দশমিক ৫ শতাংশ, আরাফাতের ১ শতাংশ এবং আবু বকর সিদ্দিকের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বাদশা মিয়ার দোতলা বাড়ির নিচতলার রান্নাঘরে গ্যাসের লিকেজ থেকে গ্যাস জমে ছিল। পরে চুলা জ্বালানোর সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে রান্নাঘরে থাকা বাদশা মিয়া ও তার স্ত্রী সুমনা বেগম দগ্ধ হন। বিস্ফোরণের সময় আশপাশে থাকা আরও দুজনও আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।