চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকালীন অভিযানে অংশ নেওয়া বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ গতকাল সোমবার গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের একটি নৌঘাঁটিতে ফিরেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৬ষ্ঠ নৌবহর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের বন্দরে নোঙর করে জাহাজটিতে মেরামত ও পুনরায় সরবরাহ কার্যক্রম চালানো হবে। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদা বে থেকে খাবার, জ্বালানি ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করেছিল রণতরিটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি সম্পূর্ণভাবে মিশন পরিচালনায় সক্ষম রয়েছে এবং এর স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিমান অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই অভিযানে ‘ফোর্ড’ ছাড়াও ‘আব্রাহাম লিংকন’ নামে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি অংশ নেয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান নিয়ে গঠিত ‘এয়ার উইং’ সমৃদ্ধ দুই রণতরিই ইরান অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফলে এখন ফোর্ডকে সরিয়ে নেওয়ায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে একটি বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হবে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গত ১২ মার্চ রণতরিটির লন্ড্রি রুমে লাগা আগুনে দুজন নাবিক আহত হওয়ার পাশাপাশি জাহাজের অন্তত ১০০টি শয্যা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা হারান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল নিউইয়র্ক টাইমস।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধকালীন অভিযানে অংশ নেওয়া বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ গতকাল সোমবার গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের একটি নৌঘাঁটিতে ফিরেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৬ষ্ঠ নৌবহর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের বন্দরে নোঙর করে জাহাজটিতে মেরামত ও পুনরায় সরবরাহ কার্যক্রম চালানো হবে। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদা বে থেকে খাবার, জ্বালানি ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করেছিল রণতরিটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি সম্পূর্ণভাবে মিশন পরিচালনায় সক্ষম রয়েছে এবং এর স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিমান অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই অভিযানে ‘ফোর্ড’ ছাড়াও ‘আব্রাহাম লিংকন’ নামে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি অংশ নেয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান নিয়ে গঠিত ‘এয়ার উইং’ সমৃদ্ধ দুই রণতরিই ইরান অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফলে এখন ফোর্ডকে সরিয়ে নেওয়ায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে একটি বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হবে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গত ১২ মার্চ রণতরিটির লন্ড্রি রুমে লাগা আগুনে দুজন নাবিক আহত হওয়ার পাশাপাশি জাহাজের অন্তত ১০০টি শয্যা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা হারান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল নিউইয়র্ক টাইমস।