চরচা প্রতিবেদক

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব সামাল দিতে দেশে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ বুধবার রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিটিগেটিং ইকোনমিক ফলআউট অফ মিডল ইস্ট ওয়ার ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা একটি ভঙ্গুর জ্বালানি খাত ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির অর্থনীতি পেয়েছি।”
তিনি জানান, সরকার জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির বহুমুখীকরণ (এনার্জি মিক্স) নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে
তিনি আরও জানান, পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহ দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) আমদানিতে শূন্য শুল্ক এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে শুল্ক ২০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মূল প্রবন্ধে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দেশের জ্বালানি খাতের ৯৭ শতাংশের বেশি জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর, যেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির হার মাত্র ২.৩ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, দেশে গ্যাস উৎপাদন কমছে এবং আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে, যা অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি।
জাপানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে ২০০ দিনের জ্বালানি মজুদ রাখা হয়, অথচ বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারির মজুদ ক্ষমতা ৩০ দিন থেকে কমে ১৭ দিনে নেমে এসেছে। তার ভাষায়, “স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ একটি জাতির জন্য বীমা পলিসির মতো কাজ করে।
সেমিনারে জানানো হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানির দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় তৈরি পোশাক খাতেও চাপ বেড়েছে।
বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এনামুল্লাহ খান জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে গত মার্চে তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ১৯.৩৫ শতাংশ কমেছে।
বক্তারা দ্রুত গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নের আহ্বান জানান।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব সামাল দিতে দেশে কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ) গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ বুধবার রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিটিগেটিং ইকোনমিক ফলআউট অফ মিডল ইস্ট ওয়ার ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা একটি ভঙ্গুর জ্বালানি খাত ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির অর্থনীতি পেয়েছি।”
তিনি জানান, সরকার জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানির বহুমুখীকরণ (এনার্জি মিক্স) নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে
তিনি আরও জানান, পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে উৎসাহ দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) আমদানিতে শূন্য শুল্ক এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে শুল্ক ২০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মূল প্রবন্ধে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দেশের জ্বালানি খাতের ৯৭ শতাংশের বেশি জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর, যেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির হার মাত্র ২.৩ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, দেশে গ্যাস উৎপাদন কমছে এবং আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে, যা অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি।
জাপানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে ২০০ দিনের জ্বালানি মজুদ রাখা হয়, অথচ বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারির মজুদ ক্ষমতা ৩০ দিন থেকে কমে ১৭ দিনে নেমে এসেছে। তার ভাষায়, “স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ একটি জাতির জন্য বীমা পলিসির মতো কাজ করে।
সেমিনারে জানানো হয়, গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশকে বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানির দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় তৈরি পোশাক খাতেও চাপ বেড়েছে।
বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এনামুল্লাহ খান জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে গত মার্চে তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ১৯.৩৫ শতাংশ কমেছে।
বক্তারা দ্রুত গ্যাস ও তেল অনুসন্ধান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছে। ভারতের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব প