চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলীতে একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আজ শনিবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেয়ে ১টা ১৬ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, কদমতলী এলাকার একটি টিনশেড গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগে। খবর পাওয়ার ছয় মিনিটের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে মোট সাতটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না- এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি ডিউটি অফিসার।
গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে সহযোগিতা করছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন পুরোপুরি নেভানোর পর আসার পর ক্ষয়ক্ষতি ও কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

রাজধানীর কদমতলীতে একটি গ্যাসলাইটার কারখানায় আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আজ শনিবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেয়ে ১টা ১৬ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, কদমতলী এলাকার একটি টিনশেড গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগে। খবর পাওয়ার ছয় মিনিটের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে মোট সাতটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না- এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি ডিউটি অফিসার।
গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে সহযোগিতা করছেন।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন পুরোপুরি নেভানোর পর আসার পর ক্ষয়ক্ষতি ও কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।