চরচা প্রতিবেদক

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান চলমান থাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব ও জামালপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং পুলিশের অতিরিক্ত সাবেক উপকমিশনার এসএম শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক মো. নাছরুল্লাহ হোসাইন আবুল কালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন।
আবেদনে বলা হয়, আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে পারেন এমন তথ্য পাওয়ায় সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
শিবলী নোমানের আবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালান, ক্যাসিনো ব্যবসাসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগটি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
শিবলী নোমান অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন- বিশ্বস্ত সূত্রে এমন খবরে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান চলমান থাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব ও জামালপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং পুলিশের অতিরিক্ত সাবেক উপকমিশনার এসএম শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক মো. নাছরুল্লাহ হোসাইন আবুল কালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন।
আবেদনে বলা হয়, আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে পারেন এমন তথ্য পাওয়ায় সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
শিবলী নোমানের আবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালান, ক্যাসিনো ব্যবসাসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগটি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
শিবলী নোমান অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন- বিশ্বস্ত সূত্রে এমন খবরে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।