চরচা প্রতিবেদক

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছেই। ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হাম সন্দেহে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এক দিনে সারা দেশে নতুন করে ১,১১৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হয়েছে ১২৭ জন রোগী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ৩ হাজার ১৯২ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময় সন্দেহজনক আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬৭ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ হাজার ২৪৩ জন।
এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৭ জন এবং সন্দেহজনকভাবে মারা গেছেন ১৭৪ জন। আক্রান্তের দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা বিভাগ, যেখানে মোট ৯ হাজার ২৭৪ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৬৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে জনগণকে সচেতন থাকার এবং শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছেই। ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হাম সন্দেহে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এক দিনে সারা দেশে নতুন করে ১,১১৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হয়েছে ১২৭ জন রোগী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ৩ হাজার ১৯২ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ সময় সন্দেহজনক আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৪৬৭ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ হাজার ২৪৩ জন।
এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৭ জন এবং সন্দেহজনকভাবে মারা গেছেন ১৭৪ জন। আক্রান্তের দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা বিভাগ, যেখানে মোট ৯ হাজার ২৭৪ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৬৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে জনগণকে সচেতন থাকার এবং শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।