চরচা প্রতিবেদক

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের অন্যান্য বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আজ বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় এবং অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পরদিন ২৪ জুলাই থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও দেশের অধিকাংশ স্থানেই মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পরবর্তী পাঁচ দিনও বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে, যদিও রাতের তাপমাত্রা একই রকম থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে হাতিয়ায়। এ ছাড়া খুলনায় ৪১, গোপালগঞ্জে ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে কম ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের শঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের অন্যান্য বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আজ বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় এবং অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পরদিন ২৪ জুলাই থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও দেশের অধিকাংশ স্থানেই মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ চলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পরবর্তী পাঁচ দিনও বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে, যদিও রাতের তাপমাত্রা একই রকম থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে হাতিয়ায়। এ ছাড়া খুলনায় ৪১, গোপালগঞ্জে ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে কম ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় তিস্তা নদীর দুটি বাঁধ ভেঙে আশপাশের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভেঙে যাওয়া বাঁধ দুটি স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হয়েছিল।