প্রথম দিনে ছয় উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে নামিয়েছিলেন ধস। শরীফুল ইসলাম দ্বিতীয় দিনেও আলো ছড়িয়েছেন। ইনিংস শেষ করেছেন নামের পাশে সাত উইকেট নিয়ে। আর সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একজন বিদেশী বোলার এই কীর্তি গড়েছিলেন সেই ১৯৯৩ সালে! ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগারে তাই ইতিহাসের পাতায়ও জায়গা করে নিয়েছেন শরীফুল।
ম্যাকাই টেস্টের আগে ক্যারিয়ারে আগে কখনই ইনিংসে তিন বা তার বেশি উইকেট নিতে পারেননি শরীফুল। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম ম্যাচেই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সেরা বোলিংটাই করেছেন।
বাংলাদেশের জন্য বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে ‘আনপ্লেয়বল’ এক ইয়র্কারে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন শরীফুল। এর মধ্য দিয়ে তিনি পাশে বসেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার কার্টলি এমব্রোসের। ৩৩ বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তিনি ২৫ রানে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট।
আর শরীফুল ৭ উইকেট নিতে খরচা করেছেন মাত্র ৪৮ রান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে এই প্রথম দেশের বাইরে বাংলাদেশের একজন বোলার সাত উইকেটের দেখা পেলেন।
শরীফুলের এমন বোলিংয়ের পরও অবশ্য স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ২১০ রান করায় তাদের দ্বিতীয় দফায় ব্যাট করাতে হলে নাজমুল হোসেনদের করতে হবে ১৪৬ রান।
সেই লক্ষ্যে লাঞ্চ বিরতিতে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করতে পেরেছে ৩ উইকেটে ৩৯। ক্রিজে আছেন অধিনায়ক নাজমুল (২৩) ও মুশফিকুর রহিম (৪)।