চরচা ডেস্ক

শান্তি চুক্তি নিয়ে ইরানের নতুন প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের সমাধান নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই সংঘাত ইতোমধ্যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়ে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে এবং হাজারো মানুষ মারা গেছে।
আজ মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের প্রস্তাবে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখতে চেয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই পারমাণবিক ইস্যুকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে আগ্রহী। এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প এতে সন্তুষ্ট নন এবং দ্রুত সমাধান চান।
এদিকে, ইরান শর্ত দিয়েছে–যে কোনো আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অন্তত ছয়টি তেলবাহী জাহাজকে বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে, যা পরিস্থিতির জটিলতা আরও বাড়িয়েছে। তবে ইরান বলছে, তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে, যাতে করে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যেখানে আগে প্রতিদিন ১২৫-১৪০টি জাহাজ চলাচল করত, কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় তা নেমে এসেছে মাত্র সাতটিতে।
এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফর করে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। একইসঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, দেশে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার চাপও বাড়ছে।

শান্তি চুক্তি নিয়ে ইরানের নতুন প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের সমাধান নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই সংঘাত ইতোমধ্যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়ে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে এবং হাজারো মানুষ মারা গেছে।
আজ মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের প্রস্তাবে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখতে চেয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই পারমাণবিক ইস্যুকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে আগ্রহী। এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প এতে সন্তুষ্ট নন এবং দ্রুত সমাধান চান।
এদিকে, ইরান শর্ত দিয়েছে–যে কোনো আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অন্তত ছয়টি তেলবাহী জাহাজকে বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে, যা পরিস্থিতির জটিলতা আরও বাড়িয়েছে। তবে ইরান বলছে, তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে, যাতে করে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যেখানে আগে প্রতিদিন ১২৫-১৪০টি জাহাজ চলাচল করত, কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় তা নেমে এসেছে মাত্র সাতটিতে।
এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফর করে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। একইসঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, দেশে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার চাপও বাড়ছে।