চরচা ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ও রাশিয়া। আগামী মাসে ‘মিলান ২০২৬ নাভাল এক্সরাসাইজ’ নামের এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
রুশ নৌবাহিনীর অধিভুক্ত সংস্থা রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ড জানিয়েছে, মহড়ায় রাশিয়ার প্যাসিফিক ফ্লিট ফ্রিগেট মার্শাল রণতরী শাপোশনিকভসহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ অংশ নেবে। বিশাল আকৃতির শাপোশনিকভ সাগর থেকে এটি একই সঙ্গে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিন বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে সামরিক টহলে শাপোশনিকভ-কে ব্যবহার করে রুশ নৌবাহিনী। মহড়ায় অংশ নিতে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে ইতোমধ্যে রওনা হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজ। রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার ওমানের মাস্কাট বন্দর পেরিয়েছে শাপোশনিকভ। বঙ্গপোসাগরে মহড়া শেষে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের বিশাখাপত্তমের উদ্দেশে রওনা দেবে শাপোশনিকভ, এবং আগামী ১৮ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেখানে ভিড়বে।
বঙ্গপোসাগরে যে সামরিক মহড়া হবে, তা তিন মাস আগে ঘোষণা করেছিল ভারত।

বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ও রাশিয়া। আগামী মাসে ‘মিলান ২০২৬ নাভাল এক্সরাসাইজ’ নামের এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
রুশ নৌবাহিনীর অধিভুক্ত সংস্থা রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ড জানিয়েছে, মহড়ায় রাশিয়ার প্যাসিফিক ফ্লিট ফ্রিগেট মার্শাল রণতরী শাপোশনিকভসহ বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ অংশ নেবে। বিশাল আকৃতির শাপোশনিকভ সাগর থেকে এটি একই সঙ্গে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিন বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে সামরিক টহলে শাপোশনিকভ-কে ব্যবহার করে রুশ নৌবাহিনী। মহড়ায় অংশ নিতে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে ইতোমধ্যে রওনা হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজ। রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার ওমানের মাস্কাট বন্দর পেরিয়েছে শাপোশনিকভ। বঙ্গপোসাগরে মহড়া শেষে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের বিশাখাপত্তমের উদ্দেশে রওনা দেবে শাপোশনিকভ, এবং আগামী ১৮ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেখানে ভিড়বে।
বঙ্গপোসাগরে যে সামরিক মহড়া হবে, তা তিন মাস আগে ঘোষণা করেছিল ভারত।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।