সিলেট প্রতিনিধি

রাত পোহালেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সিলেট বিভাগজুড়ে চলছে ভোটের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। চার জেলার ১৯টি আসনে মোট ২,৮৮১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১,১২৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব কেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনার কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
সিলেট জেলার ১,০১৬ কেন্দ্রে ২১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ বলে শনাক্ত হলেও অনেক কেন্দ্রেই তেমন কোনো সংস্কার হয়নি। সিলেট মহানগরীর ২৯৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। নগর পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রেই বিশেষ টহল, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়মিত টহলে থাকবে।
সুনামগঞ্জে ঝুঁকির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। জেলার ৬৬৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫১টি ঝুঁকিপূর্ণ, যার মধ্যে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৮৯টি এবং দুর্গম কেন্দ্র ১৫৭টি। বিভিন্ন উপজেলায় অতিরিক্ত নজরদারি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
হবিগঞ্জের ৬৪৭ কেন্দ্রের মধ্যে ২৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১০৩টি অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। এসব কেন্দ্র ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন রয়েছে ২,০০০–এর বেশি পুলিশ সদস্য, ৫৫টি মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, কুইক রেসপন্স টিম এবং প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আনসার সদস্য। পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনীও মাঠে রয়েছে।
মৌলভীবাজারের ৫৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ২২৩টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্রে বডি–ওয়ার্ন ক্যামেরা, অতিরিক্ত পুলিশ ও বিশেষ নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাভাবিক কেন্দ্রেও রয়েছে নিয়মিত টহল।
সিলেট বিভাগজুড়ে নিরাপত্তার জন্য এবারই প্রথম বড় মাত্রায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে–দুটি বীর ব্যাটালিয়ন এবং একটি ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের প্রায় ১,১০০ সদস্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবেন। বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের টিমগুলোও সবসময় মাঠে থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চলবে।
নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবারই। এখন চলছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং লজিস্টিক সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার কাজ। প্রশাসন বলছে–সিলেট বিভাগের সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত।

রাত পোহালেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সিলেট বিভাগজুড়ে চলছে ভোটের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। চার জেলার ১৯টি আসনে মোট ২,৮৮১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১,১২৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব কেন্দ্রকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনার কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
সিলেট জেলার ১,০১৬ কেন্দ্রে ২১৭টি ঝুঁকিপূর্ণ বলে শনাক্ত হলেও অনেক কেন্দ্রেই তেমন কোনো সংস্কার হয়নি। সিলেট মহানগরীর ২৯৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি ঝুঁকিপূর্ণ। নগর পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রেই বিশেষ টহল, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়মিত টহলে থাকবে।
সুনামগঞ্জে ঝুঁকির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। জেলার ৬৬৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫১টি ঝুঁকিপূর্ণ, যার মধ্যে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৮৯টি এবং দুর্গম কেন্দ্র ১৫৭টি। বিভিন্ন উপজেলায় অতিরিক্ত নজরদারি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
হবিগঞ্জের ৬৪৭ কেন্দ্রের মধ্যে ২৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১০৩টি অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। এসব কেন্দ্র ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন রয়েছে ২,০০০–এর বেশি পুলিশ সদস্য, ৫৫টি মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, কুইক রেসপন্স টিম এবং প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আনসার সদস্য। পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনীও মাঠে রয়েছে।
মৌলভীবাজারের ৫৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ২২৩টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্রে বডি–ওয়ার্ন ক্যামেরা, অতিরিক্ত পুলিশ ও বিশেষ নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাভাবিক কেন্দ্রেও রয়েছে নিয়মিত টহল।
সিলেট বিভাগজুড়ে নিরাপত্তার জন্য এবারই প্রথম বড় মাত্রায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে–দুটি বীর ব্যাটালিয়ন এবং একটি ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের প্রায় ১,১০০ সদস্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করবেন। বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের টিমগুলোও সবসময় মাঠে থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চলবে।
নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়েছে গতকাল মঙ্গলবারই। এখন চলছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং লজিস্টিক সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার কাজ। প্রশাসন বলছে–সিলেট বিভাগের সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত।