Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ১৫: ০৯
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন রশিদ এই রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, পিটিশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ জানান, রিট পিটিশনটি ইতিমধ্যে শুনানির জন্য বিচারপতি খিজির হায়াতের নেতৃত্বাধীন একটি হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মহসিন রশিদ দাবি করেন, বিদ্যমান আইসিটি আইনটি বেআইনি এবং এর কোনো বৈধ উদ্দেশ্য নেই। তিনি দাবি করে বলেন, ২০০৯ সালে এই আইনের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল সংশোধন করা এবং এটিকে ব্যবহার করে এমন কিছু ঘটানো—যাকে আমি বিচারবিভাগীয় হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করি।

আইসিটি আইনের সর্বশেষ সংশোধনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে আনা পরিবর্তনগুলো এই আইনটিকে বিচারবিভাগীয় হত্যার একটি হাতিয়ারে পরিণত করেছে। এটি এমন একটি ট্রাইব্যুনাল যা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষকে হত্যা করে। তাই এটি বাতিল করা উচিত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়, যাতে ব্যক্তি ও সংগঠন উভয়েরই বিচার করা যায় এবং ট্রাইব্যুনালের স্বাধীন কার্যকারিতা সহজতর করা সম্ভব হয়।

বিষয়: মামলাআইসিটিআদালতআইন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ২

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৩

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৪

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

  • ৫

    রাশিয়া হামলা বন্ধ করলে তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করবে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

    পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলমের ওপর ছিনতাইকারীদের হামলার পর জারি করা সতর্কতামূলক নির্দেশনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তর। পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করেছে, নির্দেশনামূলক চিঠিটি সম্পূর্ণভাবে সদস্যদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে জারি করা হয়েছিল

  • বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

    বাল্যবিয়ে, বৈষম্য বা নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের কোনো কন্যাসন্তানের স্বপ্ন যেন মাঝপথে থমকে না যায়, তা নিশ্চিতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

    এবিসি টেলিভিশনের ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে জেলেনস্কি বলেন, “দয়া করে পুতিনকে বলুন, আমাদের দুই মাস সময় দিন—টানা ৬০ দিনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি। আমরা নির্বাচন আয়োজন করব।”

  • রাশিয়া হামলা বন্ধ করলে তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করবে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

    রাশিয়া হামলা বন্ধ করলে তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করবে ইউক্রেন: জেলেনস্কি

    জেলেনস্কি ইউক্রেনের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সংঘাতের উত্তেজনা উভয় পক্ষ কমানোর অংশ হিসেবেই কেবল রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে হামলা বন্ধ করতে রাজি কিয়েভ। এর জন্য মস্কোকে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে হবে।