চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত তিনটি ছোট দ্বীপ–আবু মুসা, গ্রেটার তুনব ও লেসার তুনব নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
দ্বীপগুলো বর্তমানে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দীর্ঘদিন ধরে এগুলোর দাবি করে আসছে। ১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত গঠনের ঠিক আগে ইরান দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়, এরপর থেকেই বিষয়টি বিরোধপূর্ণ থাকলেও বড় সংঘাতে রূপ নেয়নি।
তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপগুলোকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপগুলো দখল করার সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা বিবেচনা করছে, যাতে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব কমানো যায় এবং জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা যায়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ চলাচল করে। ফলে এই পথ বন্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। ইতোমধ্যে যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচল কমে গেছে এবং তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়, তাহলে তারা প্রণালির ওপর নজরদারি ও সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে পারবে।
তবে ইরান শুধু এই দ্বীপগুলোর ওপর নির্ভরশীল নয়। দেশটি মূল ভূখণ্ড থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌবাহিনী ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ বদলালেও ঝুঁকি পুরোপুরি কমবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত তিনটি ছোট দ্বীপ–আবু মুসা, গ্রেটার তুনব ও লেসার তুনব নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
দ্বীপগুলো বর্তমানে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দীর্ঘদিন ধরে এগুলোর দাবি করে আসছে। ১৯৭১ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত গঠনের ঠিক আগে ইরান দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়, এরপর থেকেই বিষয়টি বিরোধপূর্ণ থাকলেও বড় সংঘাতে রূপ নেয়নি।
তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপগুলোকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপগুলো দখল করার সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা বিবেচনা করছে, যাতে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব কমানো যায় এবং জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা যায়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ চলাচল করে। ফলে এই পথ বন্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। ইতোমধ্যে যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচল কমে গেছে এবং তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়, তাহলে তারা প্রণালির ওপর নজরদারি ও সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে পারবে।
তবে ইরান শুধু এই দ্বীপগুলোর ওপর নির্ভরশীল নয়। দেশটি মূল ভূখণ্ড থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌবাহিনী ব্যবহার করে জাহাজে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ বদলালেও ঝুঁকি পুরোপুরি কমবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, সাব্বির হোসেনের শরীরের ৩৫ শতাংশ, তোফাজ্জল হোসেনের ২৩ শতাংশ এবং মাজেদ হোসেনের ১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। গুরুতর আহত সাব্বির ও তোফাজ্জলকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে মাজেদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চ