চরচা প্রতিবেদক

শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দাগী আসামিদের জামিনে মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ সোমবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময়ে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম নিয়েও কথা বলেন।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কে কীভাবে জামিন পেল-এটি সম্পূর্ণ আদালতের বিবেচনার বিষয়, এখানে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।”
মন্ত্রী বলেন, “৫ আগস্টের পর আমরা লক্ষ্য করেছি, অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দাগী আসামি কারাগার থেকে বের হয়েছে। তারা আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। এটি বিচার বিভাগের বিষয়। এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।”
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘দুর্বলতার’ কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রশাসনের কার্যক্রমে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রত্যাশিত মানে ছিল না।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা একটি নাজুক পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। সেটিকে পুনর্গঠন করে শৃঙ্খলায় আনতে সময় লাগবে। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।”
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবসর, বদলি বা পদোন্নতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসবই নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ। অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। ক্যাম্পের ভেতরে-বাইরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মাদক ও চোরাচালান রোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে একটি সেল গঠন করা হয়েছে।”
পুলিশের পোশাক পরিবর্তন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পোশাকটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় বাহিনীর আবেদনের প্রেক্ষিতে নতুন পোশাক নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যবাহী ও গ্রহণযোগ্য ডিজাইনের নতুন পোশাক চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে।”

শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দাগী আসামিদের জামিনে মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ সোমবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময়ে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম নিয়েও কথা বলেন।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কে কীভাবে জামিন পেল-এটি সম্পূর্ণ আদালতের বিবেচনার বিষয়, এখানে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।”
মন্ত্রী বলেন, “৫ আগস্টের পর আমরা লক্ষ্য করেছি, অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও দাগী আসামি কারাগার থেকে বের হয়েছে। তারা আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। এটি বিচার বিভাগের বিষয়। এ নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।”
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘দুর্বলতার’ কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রশাসনের কার্যক্রমে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রত্যাশিত মানে ছিল না।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা একটি নাজুক পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। সেটিকে পুনর্গঠন করে শৃঙ্খলায় আনতে সময় লাগবে। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।”
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবসর, বদলি বা পদোন্নতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসবই নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ। অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। ক্যাম্পের ভেতরে-বাইরে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মাদক ও চোরাচালান রোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে একটি সেল গঠন করা হয়েছে।”
পুলিশের পোশাক পরিবর্তন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পোশাকটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় বাহিনীর আবেদনের প্রেক্ষিতে নতুন পোশাক নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “ঐতিহ্যবাহী ও গ্রহণযোগ্য ডিজাইনের নতুন পোশাক চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে।”