চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের রেলগেট এলাকায় রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় রাকিব (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাকিব ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মফিজুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতালে নেওয়া পথচারী আবু রায়হান জানান, সকাল ৭টার দিকে রাকিব রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় কমলাপুর থেকে বিমানবন্দরগামী একটি দ্রুতগামী ট্রেন তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে পড়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবু রায়হান আরও জানান, আহত অবস্থায় রাকিবের মোবাইলে কল এলে তার বাবার সঙ্গে কথা বলে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যদের দ্রুত ঢাকায় আসতে বলা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাকিব একটি চাকরির ইন্টারভিউ দিতে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রাকিবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের রেলগেট এলাকায় রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় রাকিব (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাকিব ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মফিজুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতালে নেওয়া পথচারী আবু রায়হান জানান, সকাল ৭টার দিকে রাকিব রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় কমলাপুর থেকে বিমানবন্দরগামী একটি দ্রুতগামী ট্রেন তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে পড়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবু রায়হান আরও জানান, আহত অবস্থায় রাকিবের মোবাইলে কল এলে তার বাবার সঙ্গে কথা বলে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে পরিবারের সদস্যদের দ্রুত ঢাকায় আসতে বলা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রাকিব একটি চাকরির ইন্টারভিউ দিতে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রাকিবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আকাশ জানান, বিকেলে হঠাৎ বৈদ্যুতিক বোর্ড থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কক্ষের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। ওই সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ফলে তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আটকা পড়ে দগ্ধ ও আহত হয়।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যতগুলো জায়গা থেকে পানি পড়ার সমস্যা রয়েছে, তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।