চরচা ডেস্ক

আজ ২২ মার্চ, বিশ্ব পানি দিবস। ২০২৬ সালের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পানি ও জেন্ডার’।
প্রতি বছর ২২ মার্চ পালিত হওয়া বিশ্ব পানি দিবস জাতিসংঘের একটি বিশেষ দিন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৬ বা এসডিজি-৬ (সবার জন্য পানি ও স্যানিটেশন) অর্জনে সহায়তা করা এবং নিরাপদ পানির সুবিধাবঞ্চিত ২১০ কোটি মানুষের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য।
জাতিসংঘ বলছে, বৈশ্বিক পানি সংকট সবাইকে প্রভাবিত করলেও এর প্রভাব সবার ওপর সমান নয়। যেসব স্থানে মানুষের নিরাপদ পানীয় জল এবং স্যানিটেশন অধিকারের ঘাটতি রয়েছে, সেখানে চরম বৈষম্য দেখা যায়। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হতে হয় নারী ও কন্যাশিশুদের।
যদি বাংলাদেশের দিকে তাকানো হয়, তাহলে দেখা যাবে সুপেয় পানির তীব্র সংকটে ভুগছে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, যেখানে ৭৩ শতাংশ মানুষই নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত। দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার তিন কোটি মানুষ ব্যবহারযোগ্য পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। কোনো উপায় না পেয়ে ভূগর্ভস্থ লবণাক্ত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছেন অন্তত দেড় কোটি মানুষ। এই লবণাক্ত পানি পানের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে নারীদের স্বাস্থ্যে- আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে তাদের জরায়ু সংক্রমণের হার।
জলবায়ু পরিবর্তন এবং সুপেয় পানির তীব্র সংকট উপকূলীয় নারীদের জীবনকে চরম বিপন্ন করে তুলেছে। প্রতিদিন খাবার পানির সন্ধানে তাদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যে।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, সাতক্ষীরা শ্যামনগরের মতো এলাকায় বাধ্য হয়ে অনেক নারী মাসিকজনিত তীব্র ব্যথায় জরায়ু অপসারণ করছেন। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তৈরি হওয়া অভিবাসনের চাপ, আর্থিক টানাপোড়েন এবং পারিবারিক নির্যাতন উপকূলের নারীদের আক্ষরিক অর্থেই ত্রিমুখী সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
পাহাড়ের দিকেও প্রায় কাছাকাছি অবস্থা আমরা দেখতে পাই। পাহাড়ে পানি সংগ্রহ করতে সাধারণত নারী ও শিশুদেরকেই দেখা যায়। তারা ক্ষেত্রবিশেষে ৪-৫ কিলোমিটার বা তারো বেশি পথ পাড়ি দেয় পানি আনতে। পানির বিশুদ্ধতা তো বটেই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হয়।
তাই পানির সংকটে একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠী থাকলেও, সবার ওপরে প্রভাব একই হয় না।

আজ ২২ মার্চ, বিশ্ব পানি দিবস। ২০২৬ সালের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পানি ও জেন্ডার’।
প্রতি বছর ২২ মার্চ পালিত হওয়া বিশ্ব পানি দিবস জাতিসংঘের একটি বিশেষ দিন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-৬ বা এসডিজি-৬ (সবার জন্য পানি ও স্যানিটেশন) অর্জনে সহায়তা করা এবং নিরাপদ পানির সুবিধাবঞ্চিত ২১০ কোটি মানুষের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য।
জাতিসংঘ বলছে, বৈশ্বিক পানি সংকট সবাইকে প্রভাবিত করলেও এর প্রভাব সবার ওপর সমান নয়। যেসব স্থানে মানুষের নিরাপদ পানীয় জল এবং স্যানিটেশন অধিকারের ঘাটতি রয়েছে, সেখানে চরম বৈষম্য দেখা যায়। আর এর সবচেয়ে বড় শিকার হতে হয় নারী ও কন্যাশিশুদের।
যদি বাংলাদেশের দিকে তাকানো হয়, তাহলে দেখা যাবে সুপেয় পানির তীব্র সংকটে ভুগছে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, যেখানে ৭৩ শতাংশ মানুষই নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত। দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার তিন কোটি মানুষ ব্যবহারযোগ্য পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। কোনো উপায় না পেয়ে ভূগর্ভস্থ লবণাক্ত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছেন অন্তত দেড় কোটি মানুষ। এই লবণাক্ত পানি পানের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে নারীদের স্বাস্থ্যে- আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে তাদের জরায়ু সংক্রমণের হার।
জলবায়ু পরিবর্তন এবং সুপেয় পানির তীব্র সংকট উপকূলীয় নারীদের জীবনকে চরম বিপন্ন করে তুলেছে। প্রতিদিন খাবার পানির সন্ধানে তাদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যে।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, সাতক্ষীরা শ্যামনগরের মতো এলাকায় বাধ্য হয়ে অনেক নারী মাসিকজনিত তীব্র ব্যথায় জরায়ু অপসারণ করছেন। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তৈরি হওয়া অভিবাসনের চাপ, আর্থিক টানাপোড়েন এবং পারিবারিক নির্যাতন উপকূলের নারীদের আক্ষরিক অর্থেই ত্রিমুখী সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
পাহাড়ের দিকেও প্রায় কাছাকাছি অবস্থা আমরা দেখতে পাই। পাহাড়ে পানি সংগ্রহ করতে সাধারণত নারী ও শিশুদেরকেই দেখা যায়। তারা ক্ষেত্রবিশেষে ৪-৫ কিলোমিটার বা তারো বেশি পথ পাড়ি দেয় পানি আনতে। পানির বিশুদ্ধতা তো বটেই স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হয়।
তাই পানির সংকটে একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠী থাকলেও, সবার ওপরে প্রভাব একই হয় না।

বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলিবর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। আজ রোববার কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নগর পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর