বিরোধী দলগুলোর লং মার্চ নিয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ নামের এক পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে জিএমপির সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার পাশাপাশি শোকজ করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ এতদিন জিএমপি কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গত শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ উপলক্ষে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস মোড়ে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ ও মহাসড়কে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন, যেখানে জিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পথসভা শেষে জিএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এতে লং মার্চের গন্তব্য, দাবি-দাওয়া এবং জনসমাগমের আনুমানিক সংখ্যা উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত থাকার তথ্য তুলে ধরা হয়।
তবে পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পরপরই বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তীব্র সমালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রত্যাহারের দাবি জানান। তোপের মুখে জিএমপি পেজ থেকে পোস্টটি প্রথমে সংশোধন এবং পরে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়। পরবর্তীতে ওই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জিএমপির উপপুলিশ কমিশনার মো. জাহিদ হোসেন ভূঞা জানান, বিতর্কিত ফেসবুক পোস্টের কারণেই ওই স্টাফ অফিসারকে প্রত্যাহার করে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।