Advertisement Banner

ধ্রুপদি ব্যাটিংয়ে ব্যবধান গড়ে দিলেন লিটন

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ধ্রুপদি ব্যাটিংয়ে ব্যবধান গড়ে দিলেন লিটন
চা বিরতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে ৩৫৩ রানে। ছবি: বিসিবি

প্রথম ইনিংসে যখন ব্যাট করতে নেমেছিলেন, তখন ধীরগতির ব্যাটিংয়ে চাপের মুখে ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে একটি ‘ভদ্রস্থ’ স্কোরে পৌঁছে দেওয়ার পথে রক্ষণ আর আক্রমণের মিশেলে দুর্দান্ত একটি সেঞ্চুরি করেছিলেন লিটন দাস। দ্বিতীয় ইনিংসে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলেও চাপটা ছিলই। তবে ব্যাটিং ও কিপিংয়ে সেরা সময় পার করা লিটন আরও একবার পাল্টে দিলেন ম্যাচের চিত্র। পাকিস্তান বোলারদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে উপহার দিলেন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস, যা সম্ভবত গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্যও।

তৃতীয় দিন সকালের সেশনেই মূল কাজটা করে ফেলেছিলেন লিটন। নাজমুল হোসেন আরও একবার অতি রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করে কিছুটা চাপ তৈরি করে বিদায় নেন। মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই প্রায় ৮০ স্ট্রাইক রেটে ৪৮ রান করে ফেলা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ফিফটিতে পৌঁছান দর্শনীয় এক বাউন্ডারিতে। খুররম শাহজাদের ফুল লেন্থ ডেলিভারি পাঞ্চ করে কভার ও মিড-অফের মাঝ দিয়ে বল পাঠান সীমানার বাইরে।

সিলেটের উইকেটের যে আচরণ, তাতে দ্রুত রান করাটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকর সমাধান বলেই মনে হয়েছে। মুশফিকুর রহিম টেস্ট মেজাজে ব্যাট করে সফল হলেও অন্যপ্রান্তে লিটন না থাকলে তিনিও চাপে পড়ে যেতে পারতেন। দুজনের দুই মেরুর ব্যাটিংয়ে জমে যায় ১২৩ রানের জুটি।

৫৭ রানে একবার জীবন পান লিটন। এরপর যোগ করেন আরও ১২ রান। তবে ৯২ বলে তার ৬৯ রানের ইনিংসটি পাকিস্তানের ম্যাচে ফেরার আশাকে প্রায় শেষ করে দিয়েছে। লাল বলের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে লিটন বরাবরই সফল। ৭ ম্যাচে ৩ সেঞ্চুরিতে প্রায় ৬০ গড়ে করেছেন ৭১৯ রান।

লিটন আউট হয়ে গেলেও ম্যাচের লাগাম ততক্ষণে বাংলাদেশের হাতে চলে যায়। মেহেদি হাসান মিরাজ (১৯) দ্রুত বিদায় নিলেও মুশফিকুর লিড নিয়ে গেছেন ৩৫৩ রানে। চা-বিরতির আগে ১০২ টেস্ট খেলা এই ব্যাটসম্যান অপরাজিত ছিলেন ৯০ রানে। তার সঙ্গী তাইজুল ইসলাম (৮*)। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩০৭ রান।

সম্পর্কিত