চরচা প্রতিবেদক

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি থেকে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে।
এদিকে, বাসটি ডুবে যাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর টেনে তুলেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা নাগাদ পুরো বাসটি জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে তোলা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার জানান, বাস থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে পাঁচটি শিশু, ১১ জন নারী ও সাতজন পুরুষ। সেই সঙ্গে ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় এর আগে দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষমাণ ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটি যাত্রা শুরু করেছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে। ঢাকার উদ্দেশে বাসটির ছাড়ার সময় মাত্র ছয়জন যাত্রী ছিলেন। এরপর একে একে বিভিন্ন কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠানো হয়।
ফরিদপুর অঞ্চলের নৌ পুলিশের এসপি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “বাসটিতে ৪০ জনের বেশি মতো যাত্রী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ৫-৭ জন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পেরেছেন বলে জেনেছি।”
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিট ১০ জন ডুবুরি উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, স্থানীয় প্রশাসনও উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি থেকে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে।
এদিকে, বাসটি ডুবে যাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর টেনে তুলেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা নাগাদ পুরো বাসটি জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে তোলা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার জানান, বাস থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে পাঁচটি শিশু, ১১ জন নারী ও সাতজন পুরুষ। সেই সঙ্গে ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় এর আগে দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটে নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষমাণ ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটি যাত্রা শুরু করেছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে। ঢাকার উদ্দেশে বাসটির ছাড়ার সময় মাত্র ছয়জন যাত্রী ছিলেন। এরপর একে একে বিভিন্ন কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠানো হয়।
ফরিদপুর অঞ্চলের নৌ পুলিশের এসপি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “বাসটিতে ৪০ জনের বেশি মতো যাত্রী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ৫-৭ জন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পেরেছেন বলে জেনেছি।”
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের ৪টি ইউনিট ১০ জন ডুবুরি উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। এ ছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, স্থানীয় প্রশাসনও উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে।

গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশসহ মোট ছয়টি দেশের জাহাজ নিরাপদে পার হতে পারবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এ তালিকায় থাকা বাকি দেশগুলো হলো- ভারত, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান এবং ইরাক।