চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় বাজেট প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন ও মনিটরিং পর্যন্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকেরা। গতকাল সোমবার রাজধানীর দি ডেইলি স্টার কার্যালয়ের আজিমুর রহমান হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, বৈষম্য হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য বাজেটকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হবে।
এএলআরডি উদ্যোগে আয়োজিত এ গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় বাজেট নিয়ে সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিআরডির গবেষণা দলের প্রধান গাজী সারওয়ার্দী। সংস্থাটির উপনির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনির সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক আবু সাইদ খান ও চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।
সমীক্ষায় পারিবারিক কৃষি, গ্রামীণ নারী, আদিবাসী, যুব জনগোষ্ঠী, নগর দরিদ্র এবং ভূমি-জলা-কৃষি সংস্কার–এই ছয়টি খাতের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দের সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পারিবারিক কৃষকদের জন্য ১ লাখ ৯ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা, গ্রামীণ নারীদের জন্য ১ লাখ ৪ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য ৯ হাজার ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়।
এছাড়া যুব জনগোষ্ঠীর জন্য ৬১ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা এবং নগর দরিদ্রদের জন্য ২৩ হাজার ১৭৭ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়। ভূমি সংস্কার সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য ২ লাখ ১৬ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সোহরাব হাসান বলেন, “রাষ্ট্রের সিংহভাগ মানুষ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর। কিন্ত তাদের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য হারে নেই। অন্যদিকে সবার কাছ থেকে অর্থ আয় করা হলেও সবার জন্য ব্যয় করা হয় না। সুতরাং বাজেট যতটুকু হোক না কেন–তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে বন্টন করতে হবে।”
আবু সাঈদ খান বলেন, উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকে রাখতে হবে। বাজেট ব্যবস্থাপনায় বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন, যাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রকৃত চাহিদা প্রতিফলিত হয়।
অনুষ্ঠানে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। তারা কৃষক, নারী, আদিবাসী ও নগর দরিদ্রদের বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরে বাজেটে ন্যায্য বরাদ্দ নিশ্চিতের দাবি জানান।

জাতীয় বাজেট প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন ও মনিটরিং পর্যন্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকেরা। গতকাল সোমবার রাজধানীর দি ডেইলি স্টার কার্যালয়ের আজিমুর রহমান হলে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, বৈষম্য হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য বাজেটকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হবে।
এএলআরডি উদ্যোগে আয়োজিত এ গোলটেবিল আলোচনায় জাতীয় বাজেট নিয়ে সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিআরডির গবেষণা দলের প্রধান গাজী সারওয়ার্দী। সংস্থাটির উপনির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনির সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক আবু সাইদ খান ও চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।
সমীক্ষায় পারিবারিক কৃষি, গ্রামীণ নারী, আদিবাসী, যুব জনগোষ্ঠী, নগর দরিদ্র এবং ভূমি-জলা-কৃষি সংস্কার–এই ছয়টি খাতের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দের সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পারিবারিক কৃষকদের জন্য ১ লাখ ৯ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা, গ্রামীণ নারীদের জন্য ১ লাখ ৪ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য ৯ হাজার ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়।
এছাড়া যুব জনগোষ্ঠীর জন্য ৬১ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা এবং নগর দরিদ্রদের জন্য ২৩ হাজার ১৭৭ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়। ভূমি সংস্কার সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য ২ লাখ ১৬ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানানো হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সোহরাব হাসান বলেন, “রাষ্ট্রের সিংহভাগ মানুষ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর। কিন্ত তাদের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য হারে নেই। অন্যদিকে সবার কাছ থেকে অর্থ আয় করা হলেও সবার জন্য ব্যয় করা হয় না। সুতরাং বাজেট যতটুকু হোক না কেন–তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে বন্টন করতে হবে।”
আবু সাঈদ খান বলেন, উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকে রাখতে হবে। বাজেট ব্যবস্থাপনায় বিকেন্দ্রীকরণ প্রয়োজন, যাতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রকৃত চাহিদা প্রতিফলিত হয়।
অনুষ্ঠানে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। তারা কৃষক, নারী, আদিবাসী ও নগর দরিদ্রদের বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরে বাজেটে ন্যায্য বরাদ্দ নিশ্চিতের দাবি জানান।