
বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে দেশের এজিওগুলো কীভাবে কাজ করছে? ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিতর্ক আছে? আসলে ক্ষুদ্রঋণ কতটা কাজ করে? চরচার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন পিকেএসএফ–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের

বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে দেশের এজিওগুলো কীভাবে কাজ করছে? ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিতর্ক আছে? আসলে ক্ষুদ্রঋণ কতটা কাজ করে? চরচার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন পিকেএসএফ–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের

বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে দেশের এজিওগুলো কীভাবে কাজ করছে? ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে বিতর্ক আছে? আসলে ক্ষুদ্রঋণ কতটা কাজ করে? বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণ বড় ভূমিকা রেখেছে। দেশের অর্থনীতি ও মানুষের উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক বা পিকেএসএফের মতো প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা কী?

২০১১ সালে একটি এয়ারলাইন কোম্পানিতে চাকরি পেয়ে যান। কিন্তু তিনি চাইছিলেন নিজের কিছু করবেন। চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন, প্রথমে একটি ব্রিজের নিচে পোশাকের স্টল দেন। এই ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। তবে তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় একটি ভিডিও।

উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বাড়ে, বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান হয়, কর্মসংস্থান হলে বেকার কমে, বেকার কমলে দারিদ্র্য হ্রাস পায়।

সংস্থাটির উপনির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনির সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক আবু সাইদ খান ও চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।

সাদত হাসান মান্টো সারা জীবন বিষণ্নতার সাথে লড়াই করে গেছেন। এই লড়াই আরও তীব্র করেছিল দারিদ্র্য ও মদ। তবে কি মানসিক যন্ত্রণাই মান্টোকে তুমুল সৃজনশীল করে তুলেছিল? গবেষকেরা বলছেন এমন এক বাস্তবতার কথা যাতে মান্টো যেন ধরা দেয় নতুন করে! চলুন ঘুরে আসা যাক মান্টোর মনের গভীরে।

এই প্রকল্পের আওতায় গত ছয় মাসে ২৭ হাজার ৮০০ দরিদ্র ব্যক্তি ছানি অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া প্রায় দুই লাখ মানুষের প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে।

আপাতদৃষ্টিতে জনসনের ‘দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ সফল বলেই মনে হতে পারে। কিন্তু গবেষণাপত্রটির দ্বিতীয় অংশ এই সিদ্ধান্তকে বড়সড় একটি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। প্রশ্নটি হলো-এই কল্যাণমূলক রাষ্ট্রকাঠামো কি সত্যিই অপরিহার্য ছিল, নাকি দারিদ্র্য এমনিতেই কমে আসত?

বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে ধর্মীয় মৌলবাদ এখন কেবল একটি তাত্ত্বিক মতাদর্শ নয়। এটি ক্ষমতা রক্ষার কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ক্রমেই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

ধীরে ধীরে আফ্রিকা মাল্টিপোলার একটি ভারসাম্যের দিকে ঝুঁকছে। তবে মহাদেশটির কপাল থেকে এখনো দাসপ্রথা নামেনি। অন্যরূপে আছে। অন্য মোড়কে আছে। বাস্তবিক অর্থে ক্রীতদাস প্রথা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হলেও আফ্রিকার সঙ্গে এ যেন এখনো জড়িয়ে আছে।

তানিয়া আগে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। এখন রাজধানীর সড়কে অটোরিকশা চালান। ছয় সদস্যের পরিবারে তিনি একাই আয় করেন। পুরানা পল্টন এলাকা থেকে ভিডিও করেছেন তারিক সজীব

সংস্থাটি বলছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ২০ লাখ কর্মসংস্থান কম হয়েছে। ২০২৫ সালে আরও ৮ লাখ কর্মসংস্থান কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চাকরির বাজার সংকুচিত হওয়ার সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি পড়েছে নারী ও তরুণদের ওপর।