
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ক্যাথলিন শেরউইন গতকাল সোমবার পিকেএসএফের কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এর আগে তিনি পিকেএসএফ ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কমপ্রেহেনসিভ ক্যাটার্যাক্ট সার্ভিস ফর পিপল লিভিং ইন পোভার্টি ইন বাংলাদেশ’প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পিকেএসএফ কার্যালয়ে তাকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
সভায় পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রতিষ্ঠানের ২০২৫-২০৩০ কৌশলগত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের জন্য ছানি অপারেশন একটি মানবিক উদ্যোগ এবং ভবিষ্যতে দেশজুড়ে এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ জানান, এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মধ্যে চক্ষু পরিচর্যা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ক্যাথলিন শেরউইন তার বক্তব্যে পিকেএসএফের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, চোখের স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ করে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। তিনি দারিদ্র্য বিমোচনে পিকেএসএফের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, দারিদ্র্য একটি বহুমাত্রিক সমস্যা, তাই এর সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এই প্রকল্পের আওতায় গত ছয় মাসে ২৭ হাজার ৮০০ দরিদ্র ব্যক্তি ছানি অপারেশনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া প্রায় দুই লাখ মানুষের প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশের ৫৯টি জেলায় পিকেএসএফের ১১৫টি সহযোগী সংস্থা ও অরবিসের ৩০টি অংশীদার হাসপাতালের মাধ্যমে কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।