চরচা ডেস্ক

ভারতের অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক বলেছেন, সরকার যদি সাম্প্রতিক শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় স্বীকার করে অথবা সিজেপির বিক্ষোভকারীদের সংসদ পর্যন্ত যেতে দেয় এবং সংসদ সদস্যরা এসব বিষয় উত্থাপনের আশ্বাস দেন, তাহলে তিনি অনশন ভাঙবেন।
আজ সোমবার হাসপাতাল থেকে নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হাতে লেখা এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা রয়টাস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ওয়াংচুক আরও বলেন, তার শারীরিক অবস্থা সংসদ পর্যন্ত মিছিল করার মতো নয়। তাই বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য ও নেতারা যদি হাসপাতালে এসে একই ধরনের আশ্বাস দেন, তাহলেও তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন।
দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ও তার সমর্থকেরা গত মাসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। এরপর ২৮ জুন সোনম ওয়াংচুক তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেন।
অনশনের ২১তম দিনে শনিবার টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশের পাশাপাশি ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকধারী নিরাপত্তা সদস্যরা বিক্ষোভস্থলে গিয়ে মঞ্চে বড় সাদা কাপড় টানিয়ে দেন। এরপর ওয়াংচুককে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে ভিডিওতে তাকে দেখা যায়নি।
ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার সচিন শর্মা বলেন, “আদালতের নির্দেশ এবং তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও চিকিৎসকদের পরামর্শের ভিত্তিতে সোনম ওয়াংচুককে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য একটি উপযুক্ত সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।”
শুরুর দিকে সিজেপি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সমর্থন পেয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখে পৌঁছে যায়। পরে কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দলও আন্দোলনটির প্রতি সমর্থন জানায়।

ভারতের অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক বলেছেন, সরকার যদি সাম্প্রতিক শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় স্বীকার করে অথবা সিজেপির বিক্ষোভকারীদের সংসদ পর্যন্ত যেতে দেয় এবং সংসদ সদস্যরা এসব বিষয় উত্থাপনের আশ্বাস দেন, তাহলে তিনি অনশন ভাঙবেন।
আজ সোমবার হাসপাতাল থেকে নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হাতে লেখা এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।
বার্তা সংস্থা রয়টাস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ওয়াংচুক আরও বলেন, তার শারীরিক অবস্থা সংসদ পর্যন্ত মিছিল করার মতো নয়। তাই বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য ও নেতারা যদি হাসপাতালে এসে একই ধরনের আশ্বাস দেন, তাহলেও তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন।
দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ও তার সমর্থকেরা গত মাসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। এরপর ২৮ জুন সোনম ওয়াংচুক তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেন।
অনশনের ২১তম দিনে শনিবার টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা যায়, পুলিশের পাশাপাশি ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকধারী নিরাপত্তা সদস্যরা বিক্ষোভস্থলে গিয়ে মঞ্চে বড় সাদা কাপড় টানিয়ে দেন। এরপর ওয়াংচুককে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে ভিডিওতে তাকে দেখা যায়নি।
ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার সচিন শর্মা বলেন, “আদালতের নির্দেশ এবং তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও চিকিৎসকদের পরামর্শের ভিত্তিতে সোনম ওয়াংচুককে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য একটি উপযুক্ত সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।”
শুরুর দিকে সিজেপি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সমর্থন পেয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখে পৌঁছে যায়। পরে কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দলও আন্দোলনটির প্রতি সমর্থন জানায়।