চরচা প্রতিবেদক

কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটাকাটির সময় রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব আহত ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
আহতদের মধ্যে অন্তত ২০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে (পঙ্গু হাসপাতাল) এ স্থানান্তর করা হয়েছে।
আহতরা পুরান ঢাকার নারিন্দা, ওয়ারী, লালবাগ, কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, চকবাজার, হাজারীবাগ, বংশালসহ সবুজবাগ, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, কলাবাগান, মিরপুর ও পল্লবী এলাকার বাসিন্দা। তারা কোরবানির সময় গরুর লাথি, শিংয়ের গুঁতা কিংবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাংস কাটতে গিয়ে হাত-পা কেটে আহত হন।
ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কলিন্স মল্লিক জানান, আহতদের বেশিরভাগই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলিন্স মল্লিক বলেন, “ঈদের দিন হওয়ায় রোগীর চাপ অনেক বেশি। তারপরও জরুরি বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটারে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ছুটি উপেক্ষা করে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।”
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কোরবানি দিতে গিয়ে বিভিন্নভাবে আহত হয়ে অন্তত ৮০ জন হাসপাতালে এসেছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটাকাটির সময় রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসব আহত ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
আহতদের মধ্যে অন্তত ২০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে (পঙ্গু হাসপাতাল) এ স্থানান্তর করা হয়েছে।
আহতরা পুরান ঢাকার নারিন্দা, ওয়ারী, লালবাগ, কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, চকবাজার, হাজারীবাগ, বংশালসহ সবুজবাগ, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, কলাবাগান, মিরপুর ও পল্লবী এলাকার বাসিন্দা। তারা কোরবানির সময় গরুর লাথি, শিংয়ের গুঁতা কিংবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাংস কাটতে গিয়ে হাত-পা কেটে আহত হন।
ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কলিন্স মল্লিক জানান, আহতদের বেশিরভাগই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কলিন্স মল্লিক বলেন, “ঈদের দিন হওয়ায় রোগীর চাপ অনেক বেশি। তারপরও জরুরি বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটারে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ছুটি উপেক্ষা করে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।”
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কোরবানি দিতে গিয়ে বিভিন্নভাবে আহত হয়ে অন্তত ৮০ জন হাসপাতালে এসেছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ঈদুল আজহার আনন্দঘন উপলক্ষে আমাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক যেন আরও সুদৃঢ় হতে থাকে।”