চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে ৪৭টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল হাড়সহ সংঘবদ্ধ মানবকঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও থানা পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, ম. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ম. ফয়সাল আহম্মেদ। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা ৪৭টি মাথার খুলি এবং মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড় উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ার ১ নম্বর গেট এলাকায় একজন ব্যক্তি কবরস্থান থেকে সংগ্রহ করা মানবকঙ্কাল বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাত ১টা ৪৫ মিনিটে অভিযান চালিয়ে জহরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি মানবকঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ৭টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মানবকঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
এরপর গ্রেপ্তারদের তথ্য অনুযায়ী একই দিন দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে ফয়সাল আহম্মেদকে আটক করা হয়। তার কক্ষ থেকে ৪৪টি মানবকঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ।
ডিসি ইবনে মিজান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানবকঙ্কাল চুরি করত। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও নেত্রকোনা অঞ্চলের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করা হতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পেজের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছিল বলে জানান তিনি।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আবুল কালামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২১টি এবং আসাদুল মুন্সীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মামলা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।র

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকা থেকে ৪৭টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল হাড়সহ সংঘবদ্ধ মানবকঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও থানা পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক, ম. আবুল কালাম, আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ এবং ম. ফয়সাল আহম্মেদ। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা ৪৭টি মাথার খুলি এবং মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড় উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ার ১ নম্বর গেট এলাকায় একজন ব্যক্তি কবরস্থান থেকে সংগ্রহ করা মানবকঙ্কাল বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাত ১টা ৪৫ মিনিটে অভিযান চালিয়ে জহরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি মানবকঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ৭টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মানবকঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
এরপর গ্রেপ্তারদের তথ্য অনুযায়ী একই দিন দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানার সাপ্পোরো ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে ফয়সাল আহম্মেদকে আটক করা হয়। তার কক্ষ থেকে ৪৪টি মানবকঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ।
ডিসি ইবনে মিজান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানবকঙ্কাল চুরি করত। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও নেত্রকোনা অঞ্চলের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করা হতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পেজের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছিল বলে জানান তিনি।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আবুল কালামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২১টি এবং আসাদুল মুন্সীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মামলা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।র