
৪৭টি নরকঙ্কালসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। ১০ মার্চ (২০২৬) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানিয়েছে পুলিশ।

ডিসি ইবনে মিজান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানবকঙ্কাল চুরি করত। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে গাজীপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও নেত্রকোনা অঞ্চলের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের কাছে বিক্রি করা হতো।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা বাজারের একটি সোনার দোকানে ৭০ ভরি স্বর্ণ, ৬০০ ভরি রুপা চুরি ও নগদ চার লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে।