বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মূল্য বৃদ্ধির করার প্রসঙ্গ বিরোধী দল যেভাবে সামনে আনছে, সেখানে ভুল তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উপস্থিত ছিলেন।
ডা. জাহেদ বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। বিইআরসি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এটি সরকারের অংশ নয়। সরকার বর্ধিত মূল্য কমানোর জন্য আপিল করেছে সরকার। সরকার গণমানুষের কথা চিন্তা করেছে। সে আলোকে লাইফ লাইন ও আবাসিকের ক্ষেত্রে দাম কমিয়েছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বিরোধী দল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয় নিয়ে যে সব কথা বলছে, তাতে ভুল তথ্য রয়েছে। তিনি জানান, জনগণ সবচেয়ে বেশি যেটাতে ক্ষতিতে পড়বে সেখানে দাম বাড়ানো হয়নি। ডিজেলে দাম বাড়ানো হয়নি। কারণ এটা গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনে দাম বাড়িয়েছে। এটার ব্যবহারকারীরা তুলনামূলক সক্ষম।
অপরদিকে, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে শূন্য থেকে লাইফ লাইন ৫০ এবং আবাসিক ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদেরকে বর্ধিত বিল দিতে হবে না। সরকার আপিল করে সে মূল্য কম রেখেছে। ৬৫ শতাংশ ব্যবহারকারীকে সরকার এই কম মূল্যের আওতায় এনেছে বলেও জানান তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এরপরও সরকারকে ৪১ হাজারের মতো ভর্তুকি দিতে হবে। বিরোধীদল এসব প্রসঙ্গ যেভাবে সামনে আনছে, সেখানে ভুল তথ্য আছে। তিনি বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে নিজেরা নির্ভর হতে না পারলে ঝুঁকি আছে।
এদিকে, আগের সরকারের চুরি ও পাচারের বোঝা বর্তমান সরকারকে বইতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, “অতীতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন নীতিতে চললে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির এ সংকোচন পরিস্থিতি সৃষ্টি হত না।”