ads

গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত অন্তত ২৫, দাবি জামায়াতের

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত অন্তত ২৫, দাবি জামায়াতের
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলটির একজন নেতা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার বিকেলে ওই ঘটনার সময় দুই পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এই সংঘর্ষ ৬-৭ মিনিট চলে। এসময় দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহারও হয়েছে বলে জানান তারা।

জামায়াতের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের বেশ কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করেছে।

শাহবাগ পূর্ব থানার জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবিব চরচাকে বলেন, “আমাদের আহত হয়েছে ২৫ জনের মত। এর মধ্যে গুরুতর আহত আছে দুইজন। তাদের মধ্যে একজন কবির ও একজন সোহাগ। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসারত রয়েছেন। বাকিরা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল আছে।”

আহসান হাবিব বলেন, “ওই এলাকায় ব্যাপক চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করছিল। তারই প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও আমরা মিলে গুলিস্তান বিআরটিসি বাস কাউন্টারের সামনে একটি মিছিলের প্রস্তুতি নিছিলাম। সেখানে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে তারা।”

আহত কবির আহমেদ ফুলবাড়িয়া এলাকার একজন মোবাইল সরঞ্জাম ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা। তিনি জামায়াতে ইসলামীর গুলিস্তান শপিং মার্কেট ইউনিটের সভাপতি।

জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে কবিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা আক্তার হোসেন বলেন, “বিকেলের দিকে বিএনপির সমর্থকরা কবির আহমেদের কোমরের পেছনে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনা হয়।”

এই হামলার নিন্দা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন সাংবাদিকদের বলেন, “বিএনপির একাংশের কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করে আসছে। কিছুদিন আগে তারা জোর করে মার্কেটে তালা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের অনুরোধে স্থানীয় জামায়াত নেতারা তাদের পাশে দাঁড়ায়। আজ বিকেলে ফুলবাড়িয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় জামায়াত। সেখানে সাধারণ ব্যবসায়ী ও নেতা-কর্মীরা জড়ো হলে বিএনপির একটি গ্রুপ হামলা চালায়।”

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, ‘‘গুরুতর আহত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। জরুরি বিভাগে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার কোমরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’’

সম্পর্কিত